বাংলাদেশের নির্বাচন, রাজনীতি ও অর্থনীতি: ভবিষ্যতের দিক নির্দেশনা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা গুলশানের ওয়েস্টিন গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত সেমিনারে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে স্বাগত ও সমাপনী বক্তব্য রাখেন, দি মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটি চেয়ারপারসন বোর্ড অব ট্রাস্টিজ ও খান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট রোখসানা খন্দকার। এ সময় প্রাসঙ্গিক সারসংক্ষেপ বক্তব্য রাখেন, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট চেয়ারম্যান ড. জাইদি সাত্তার।
সেমিনারে বক্তব্য রাখেন, ড. মাহরীন খান জুনিয়র রিসার্চ ফেলো, জেসাস কলেজ, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং অক্সফোর্ড মার্টিন ফেলো, ফিউচার অব ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, আইন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ শাহদীন মালিক, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, হামীম মীম গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ, সহ দেশবরেণ্য ব্যক্তিবর্গ। সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, সুশীল সমাজ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থা সহ বিভিন্ন দূতাবাস ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ এমন এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে নির্বাচন, রাজনীতি এবং অর্থনীতির গতিপথ অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। দেশটি যখন গণতান্ত্রিক প্রত্যাশা, অর্থনৈতিক চাপ এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন এবং জবাবদিহিমূলক রাজনৈতিক প্রক্রিয়াগুলি প্রবৃদ্ধি এবং সামাজিক সংহতি বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক মেরুকরণ এবং ক্রমবর্ধমান নাগরিক প্রত্যাশার মধ্যে একটি নতুন নির্বাচনী প্রক্রিয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, গণতান্ত্রিক বিশ্বাসযোগ্যতা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা আগের চেয়ে আরও জরুরি হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার উপর আস্থা পুনরুদ্ধার, জবাবদিহিমূলক রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং ন্যায়সঙ্গত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখার উপর নির্ভর করছে।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর