সদ্য সমাপ্ত হওয়া শেরপুর-২ নকলা-নালিতাবাড়ী আসনের নির্বাচনী ফলাফলকে কেন্দ্র করে উপজেলার কলসপাড় ইউনিয়নের উত্তর নাকশী গ্রামে দুই ব্যক্তি ধরে ছিলেন ব্যতিক্রমী বাজি। এই বাজি ধরা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল।
এই আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুররী। আর ১১ দলীয় জোটের জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মু. গোলাম কিবরিয়া ভিপি দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নামেন। এই নির্বাচনে, কে বিজয়ী হবেন এ নিয়ে দ্ইু ব্যক্তি তাদের গৃহপালিত মহিষ নিয়ে ব্যতিক্রমী বাজি ধরেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-২ (নকলা- নালিতাবাড়ী) আসনে ভোটের আগেই নালিতাবাড়ী উপজেলার কলসপাড় ইউনিয়নের উত্তর নাকশী গ্রামের আব্দুল মান্নান ও একই এলাকার বালুঘাটা গ্রামের আমীর হোসেনের মধ্যে মহিষ নিয়ে এই বাজি ধরা হয়। ওই বাজির শর্ত ছিল- দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বিজয়ী হলে আব্দুল মান্নান দেবেন পাঁচটি মহিষ। আর ধানের শীষ প্রতীক বিজয়ী হলে আমীর হোসেন দেবেন একটি মহিষ।
এদিকে, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোট গণনা শেষে ফলাফলে শেরপুর-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীক বিজয়ী হওয়ায় বাজিতে পরাজিত হন আমীর হোসেন। পূর্বনির্ধারিত বাজির শর্ত অনুযায়ী শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারী) সকালে ঢাকঢোল পিটিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে ফুলের মালা দিয়ে সাজিয়ে বাজিতে জেতা একটি মহিষ বুঝে নেন উত্তর নাকশী গ্রামের শিমুলগড়া এলাকার আব্দুল মান্নান। মহিষ নিয়ে বিজয় মিছিলের মতো গ্রামে প্রবেশের সময় উত্তর নাকশীজুড়ে সৃষ্টি হয় এক আনন্দঘন পরিবেশ। শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সের মানুষ ভীড় করেন এ ব্যতিক্রমী দৃশ্য দেখতে। স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনী উত্তাপের মধ্যেও এমন অভিনব বাজি ধরা ও তার সঠিক বাস্তবায়ন এলাকায় কৌতূহল ও বিনোদনের খোরাক জুগিয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট কলসপাড় ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মজিদ বলেন, বাজি ধরার ঘটনাটি একদম ব্যতিক্রমী একটি ঘটনা। এই ঘটনায় উত্তর নাকশীর শিমুলগড়া এলাকার আব্দুল মান্নান তার বাজিতে পাওয়া একটি মহিষ বুঝে নিয়েছেন।
মাসুম/সাএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর