পূর্ব বিরোধের জেরে নাটোরের গুরুদাসপুরে হালিমা বেগম নামে এক নারীকে অ্যাসিড নিক্ষেপ করে দগ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। বর্তমানে তিনি নাটোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান সিভিল সার্জন ডা. মুক্তাদির আরেফিন।
রবিবার রাতে চামেলি বেগমের মা হালিমা বিশেষ প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হলে নজরুল ও তার সহযোগীরা তাকে লক্ষ্য করে অ্যাসিড নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায়। পরে তার চিৎকার শুনে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। দগ্ধ হালিমা বেগম নাজিরপুর এলাকার মৃত শুকুন আলীর স্ত্রী।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের সঙ্গে একটি শিশুকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ইউপি সদস্য চামেলি বেগমের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে নজরুল ও তার সহযোগীরা প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিচ্ছিল বলে অভিযোগ পরিবারের।
নাটোরের সিভিল সার্জন ডা. মুক্তাদির আরেফিন বলেন, রোগী অ্যাসিড দগ্ধ অবস্থায় ভোর সাড়ে ৫টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আমরা তাকে সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা দিচ্ছি এবং প্রয়োজনীয় সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থার উন্নতির জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী উন্নত চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।
গুরুদাসপুর থানার ওসি শফিকুজ্জামান সরকার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর