নির্ধারিত সময়ের আগে তালাবদ্ধ করে চলে যাওয়ায় চরফ্যাশন উপজেলার ৫১নং হাজিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মনিরুল আলমকে শোকজ করেছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। নোটিশে আগামি পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে তাকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এই নোটিশ দিয়েছেন বলে সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন নিশ্চিত করেছেন।
প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে ৫১নং হাজিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি তালাবদ্ধ পেয়ে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা মুঠোফোনে জানালে পরদিন মঙ্গলবার সকালে উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেনকে সরজমিনে পাঠানো হয়। সে সত্যতা পেয়েছে।
জানা গেছে, ৫১নং হাজিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। শিক্ষার্থী রয়েছে ২০০ জনের অধিক ।
বিদ্যালয়ের পাশ্ববর্তী পরিবারগুলো জানায়, সোমবার সকালে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে এসেছে। তবে শিক্ষকরা দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে চলে গেছে।
বিদ্যালয় বন্ধ থাকার বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মনিরুল আলম বলেন, ‘সোমবার সকালে আমরা ছয় জন শিক্ষক বিদ্যালয়ে এসেছি। সকালেই একজন শিক্ষক ছুটি নিয়ে চলে গেছে। আমরা পাঁচ জন শিক্ষক বিদ্যালয়ে ছিলাম। কেরামতগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা থাকায় আমি বিদ্যালয়ে চার জন শিক্ষক রেখে সেখানে যাই। পরবর্তীতে আমি জানতে পারলাম, আমি বিদ্যালয় থেকে বের হওয়ার পর ওই চার শিক্ষক বিদ্যালয় তালাবদ্ধ করে চলে যায়।
সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘আমি বিদ্যালয়ে গিয়ে বিদ্যালয় বন্ধ রাখার সত্যতা পেয়েছি।’
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘৫১নং হাজিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুল আলমকে শোকজ করা হয়েছে।’ শোকজের জবাব পেলে পরর্বর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর