কারাবন্দি পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের সঙ্গে ‘সমঝোতা’ করতে চেয়েছিল পাকিস্তান সরকার—এমন দাবি উঠেছে। বলা হয়েছে, এ বিষয়ে দু’বার প্রস্তাবও পাঠানো হয়েছিল তার কাছে। তবে ইমরান খান সেই প্রস্তাবে সাড়া দেননি এবং দু’বারই পাঠানো ‘দূত’কে ফিরিয়ে দিয়েছেন।
এ তথ্য জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের ঘনিষ্ঠ ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা রানা সানাউল্লাহ।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে ইমরান খান প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন তিনি। তার এই বক্তব্যে পাকিস্তানের বর্তমান সরকার অস্বস্তিতে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টি নাকচ করেছেন মন্ত্রী আত্তাউল্লাহ তারার। তিনি বলেন, ইমরান খানের সঙ্গে কোনো ধরনের চুক্তি বা সমঝোতা করা হচ্ছে না এবং সরকার তার প্রতি কোনো পক্ষপাতও দেখাচ্ছে না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “ইমরান খানকে কোনো চুক্তি বা সমঝোতার প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। সরকার তাকে কোনো ছাড় দিচ্ছে—এমন খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি একজন দণ্ডিত ব্যক্তি এবং আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।”
কী বলেছিলেন সানাউল্লাহ?
বুধবার সানাউল্লাহ বলেন, ‘ইমরানের সমস্যার একটি রাজনৈতিক সমাধান চাই আমরা। কিন্তু উনি সেটা চাইছেন না। উনার সঙ্গে সমঝোতা করার চেষ্টা হয়েছিল দু’বার। সেগুলি ব্যর্থ হয়েছে।’’
ইমরানের কাছে পাকিস্তান সরকারের ‘প্রস্তাব’ নিয়ে কারা গিয়েছিলেন, তা-ও জানিয়েছিলেন সানাউল্লাহ। বলেছেন, ‘মহসিন নকভি এবং খাইবার পাখতুনখোয়ার তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী আলি আমিন গান্দাপুর ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর প্রথম বার চেষ্টা করেছিলেন। দ্বিতীয় চেষ্টাটি কিছু দিন আগে করেন কয়েক জন বিদেশি। ইমরান প্রাথমিক ভাবে প্রস্তাবে রাজি হলেও পরে চুক্তি থেকে সরে আসেন।’
সানাউল্লাহ আরও দাবি করেন, পাকিস্তানের বর্তমান সরকারকে গদিচ্যুত করে ফের প্রধানমন্ত্রী হতে চান ইমরান। সেই কারণেই সমঝোতার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর
সারাবিশ্ব এর সর্বশেষ খবর