ইরান দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি তৈরি ও উন্নয়ন করেছে। দেশটির ভাণ্ডারে রয়েছে শর্ট, মিডিয়াম ও দীর্ঘদূরত্বের ব্যালিস্টিক এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, যেগুলোর কার্যকর রেঞ্জ প্রায় ৩০০ কিমি থেকে ২,৫০০ কিমি পর্যন্ত বলে বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন।
? ক্ষেপণাস্ত্রের ধরন ও রেঞ্জ
শর্ট‑রেঞ্জ ব্যালিস্টিক মিসাইল (SRBM):
Fateh‑110 — প্রায় ৩০০ কিমি রেঞ্জ
Raad‑500 — প্রায় ৫০০ কিমি পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম
মিডিয়াম‑রেঞ্জ ব্যালিস্টিক মিসাইল (MRBM):
Qassem Bassir — প্রায় ১,২০০ কিমি
Shahab‑3 — প্রায় ১,৩০০ কিমি
Hoveyzeh — প্রায় ১,৩৫০ কিমি
দীর্ঘ‑রেঞ্জ ব্যালিস্টিক মিসাইল:
Sejil — প্রায় ২,০০০ কিমি বা তারও বেশি
Emad — প্রায় ১,৭০০ কিমি
Khorramshahr — প্রায় ২,০০০ কিমি

? ক্রুজ ও সমুদ্র লক্ষ্য ক্ষেপণাস্ত্র
ইরান নৌ যুদ্ধ এবং স্থলভাগ থেকে সমুদ্র লক্ষ্যেও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে।
Qader — প্রায় ৩০০ কিমি পর্যন্ত রেঞ্জের সমুদ্র লক্ষ্য ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র
? উন্নত প্রযুক্তি ও হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র
ইরান hypersonic বা উচ্চগতির প্রযুক্তি নিয়েও কাজ করছে।
Fattah‑2 — প্রায় ১,৪০০–১,৫০০ কিমি পর্যন্ত পৌঁছানোর ক্ষমতা (পরীক্ষামূলক পর্যায়ে)
সামরিক কৌশল ও ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
ইরান নিজেকে আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে প্রতিরোধ ও পাল্টা আক্রমণের সক্ষমতা হিসেবে বিবেচনা করে। বিশেষ করে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হুমকির বিপরীতে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো গুরুত্বপূর্ণ।
আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সাধারণত ২,০০০ কিমি পর্যন্ত সীমাবদ্ধ বলে বিবেচিত, যা মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলকে আঘাতের সম্ভাবনা রাখে।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর