সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় অনেকেই আগে-ভাগেই পেট্রোল ও অকটেন মজুদ করতে পেট্রোল পাম্পে ভিড় করছেন। চাহিদা বাড়লেও দাম স্বাভাবিক রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের জ্বালানি বাজারেও। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে এমন আশঙ্কায় রাজবাড়ীতে হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে পেট্রোল ও অকটেনের চাহিদা। পেট্রোল পাম্পগুলোতে দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ লাইন।
রাজবাড়ী মুরগী ফার্মের কাজী ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, অকটেন নেই। পেট্রোল ২০০ টাকার বেশি বিক্রি করছে না। গাড়ি এসে পর্যাপ্ত তেল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে।
শ্রীপুর পলাশ পেট্রোল পাম্পে গিয়ে দেখা যায়, অকটেন, পেট্রোল নেই। যে গাড়ি রয়েছে, তাতে ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। সকাল থেকেই মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারের দীর্ঘ সারি।
তবে বেশিরভাগ পাম্পেই একজন গ্রাহককে ২০০ টাকার বেশি জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে না। এ নিয়ে গ্রাহকদের মাঝেও তৈরি হয়েছে ক্ষোভ।
পেট্রোল কিনতে আসা মোটরসাইকেল চালক আলমগীর হোসেন বলেন, আমি ঢাকা যাব। গাড়ীর তেল নেই। এখন পাম্পে আসলাম তেল নিতে। কিন্তু ২০০ টাকার বেশি তেল দিচ্ছে না। তাহলে দেড় শত কিলোমিটার পথ কিভাবে যাব? তেলের সংকট নেই। কিন্তু যুদ্ধের আতঙ্কে সবাই হুড়োহুড়ি করে তেল কিনছেন। এ সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে অনেকে।
প্রাইভেটকার চালক সুজন হোসেন বলেন, ‘পাম্পে তেল নিতে এসেছি, এখন বলছে তেল নাই। এভাবে চললে তো গাড়ি বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া কোনো পথ নেই।
বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। কেউ যেন আতঙ্ক কাজে লাগিয়ে মানুষকে হয়রানি করতে না পারে।
পেট্রোল পাম্পে কর্মরত শ্রমিকরা বলেন, ‘স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় সকাল থেকে কয়েকগুণ বেশি গ্রাহক জ্বালানি নিতে আসছেন। এত বেশি চাপ তৈরি হয়েছে বাধ্য হয়েই আমরা বন্ধ করে দিয়েছিলাম। এখন ২০০ টাকার বেশি তেল দিচ্ছি না।
মাসুম/সাএ
সর্বশেষ খবর