ইরানকে কেন্দ্র করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকার জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ বিবেচনা করছে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ চালু করা এবং অফিসের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আংশিকভাবে অনলাইন ক্লাস চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে অন্তত আটটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটিতে অতিরিক্ত একদিন যোগ করা অথবা সপ্তাহে দুই দিন কর্মকর্তাদের বাসা থেকে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়া অফিসের কার্যক্রম আগেভাগে শুরু করা বা মোট কর্মঘণ্টা কমানোর বিষয়টিও বিবেচনায় আছে।
বিদ্যুৎ ব্যবহার কমাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সপ্তাহের অর্ধেক ক্লাস অনলাইনে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে এসব বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি; মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এদিকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন, জ্বালানি সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে শিগগিরই দেশের স্কুলগুলোতে সরাসরি ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টি সরকার গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে।
তিনি আরও বলেন, দেশে জ্বালানি সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রী নানা নির্দেশনা দিয়েছেন। এর মধ্যে এখন থেকে দেশের স্কুলগুলো পাঁচ দিনের পরিবর্তে সপ্তাহে ৬ দিন ক্লাস খোলা রেখে অন্তত তিন দিন অনলাইনে ক্লাস চালু রাখার চিন্তা রয়েছে। বিশেষ করে মেট্রোপলিটন এলাকাগুলোতে অনলাইন ভিত্তিক ক্লাস চালুর ব্যাপারে ৫৫ শতাংশ মানুষ একমত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর
জাতীয় এর সর্বশেষ খবর