ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তাদের নৌবাহিনী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে দ্রুত ও নির্ভুল একাধিক হামলা চালিয়েছে। এতে জাহাজ, সামরিক সমাবেশ, রাডার ও ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ভোরে তাদের নৌবাহিনীর সদস্যরা চারটি সফল ও দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে। এসব অভিযান ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’-এর ৮৮তম ধাপের অংশ।
বিবৃতিতে বলা হয়, পারস্য উপসাগরের কেন্দ্রীয় জলসীমায় ‘এক্সপ্রেস হাফং’ নামের একটি ইসরায়েল-সম্পৃক্ত কন্টেইনার জাহাজকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে।
এছাড়া, সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূলে একটি সামরিক ঘাঁটির বাইরে অবস্থানরত মার্কিন মেরিনদের একটি সমাবেশস্থলকে ড্রোন হামলার মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
আইআরজিসি আরও জানায়, বাহরাইনের মানামা বিমানবন্দরের কাছে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের একটি ‘হক’ অ্যান্টি-ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোন হামলায় ধ্বংস করা হয়েছে।
একই সঙ্গে কুয়েতের আহমদ আল-জাবের মার্কিন ঘাঁটিতে থাকা দুটি আধুনিক আগাম সতর্কতা রাডার সিস্টেমেও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
আইআরজিসি নৌবাহিনী তাদের বিবৃতিতে হরমুজ প্রণালি নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা উল্লেখ করে সতর্ক করে দিয়েছে, শত্রুপক্ষের যেকোনো তৎপরতা তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে প্রতিহত করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি, কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বড় পরিসরের সামরিক অভিযান শুরু করে বলে তেহরান দাবি করে।
এর জবাবে ইরানও পাল্টা হামলা চালিয়ে অঞ্চলজুড়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি অবস্থান লক্ষ্য করে একাধিক দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর
সারাবিশ্ব এর সর্বশেষ খবর