ইহুদিদের ধর্মীয় উৎসব Passover-এর প্রাক্কালে ইরান ও মিত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে ইসরায়েল। এ পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।
Al Jazeera-এর প্রতিবেদক নিদা ইব্রাহিম অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লাহ থেকে জানিয়েছেন, বুধবার সকালে কেন্দ্রীয় ইসরায়েলে অন্তত তিনবার সতর্কতামূলক সাইরেন বেজেছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান।
ব্নেই ব্রাক এলাকায় ১১টি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ (শ্র্যাপনেল) পড়েছে বলে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। দেশটির জরুরি সেবা সংস্থাগুলো দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছে। এ ঘটনায় এক কিশোরী মাঝারি থেকে গুরুতর আহত হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাশাপাশি লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ উত্তর সীমান্ত দিয়ে রকেট হামলা চালাচ্ছে। এই সমন্বিত হামলার কারণে ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা—যেমন আয়রন ডোম—কখনও কখনও চাপের মুখে পড়ছে এবং কিছু হামলা প্রতিহত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
এছাড়া, ক্লাস্টার মিউনিশন ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে, যেগুলো আকাশে বাধা পেলেও ভেঙে গিয়ে একাধিক স্থানে বিস্ফোরিত হয়, ফলে ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ে।
প্রায় ১৯ ঘণ্টা তুলনামূলক শান্ত থাকার পর আবারও হামলার তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইসরায়েলি নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ধারণা, পাসওভারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের পক্ষ থেকে চাপ বাড়ানোর কৌশল নেওয়া হতে পারে।
এদিকে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিরাপত্তা বাহিনীকে উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কায় দেশটির বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর