• ঢাকা
  • ঢাকা, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ১১ সেকেন্ড পূর্বে
প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ০৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:৪০ রাত

বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতা ফের যাচ্ছে সরকারের হাতে

ফাইল ফটো

বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতা আবারও সরকারের হাতে ফিরতে যাচ্ছে। পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা ২০টি অধ্যাদেশ চলতি সংসদ অধিবেশনে অনুমোদন পাচ্ছে না। এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের স্বাধীনতা-সংক্রান্ত তিনটি অধ্যাদেশ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব অধ্যাদেশের অধীনে গৃহীত কার্যক্রমের ক্ষেত্রে হেফাজতের বিধান রাখা হয়েছে, তবে গণভোটসহ বাকি ১৬টি অধ্যাদেশের ক্ষেত্রে এ ধরনের কোনো নির্দেশনা উল্লেখ নেই।

এ অধ্যাদেশগুলো এখনই বিল আকারে সংসদে তোলা হচ্ছে না; বরং যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তীতে নতুন করে বিল আকারে উত্থাপনের কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে অবশিষ্ট ১১৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি অপরিবর্তিতভাবে বিল আকারে উপস্থাপন এবং ১৫টি সংশোধন করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংসদে তোলার সুপারিশ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিশেষ কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন। প্রতিবেদনে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের বিষয়ে সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এর আগে সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী এসব অধ্যাদেশ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়েছিল। পরে সেগুলো পর্যালোচনার জন্য সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের নিয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়।

১৩ সদস্যের এ কমিটিতে ১০ জন বিএনপির এবং ৩ জন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি রয়েছেন। এছাড়া বৈঠকে আমন্ত্রিত হয়ে অংশ নেন আরও কয়েকজন সংসদ সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সচিবরা।

ওই কমিটি তিনটি আনুষ্ঠানিক ও একটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করে প্রতিবেদন চূড়ান্ত করে। বৃহস্পতিবার একটি বৈঠক ডাকা হলে পরে তা বাতিল করা হয়। ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টির বিষয়ে বিশেষ কমিটিতে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর তিন সদস্য। অধ্যাদেশগুলো বাতিল ও এখনই পাসের সুপারিশ না করাসহ বিভিন্ন কারণে তারা নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন। 

সংবিধানে বলা আছে, কোনো অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন করা না হলে তার কার্যকারিতা লোপ পাবে। এর ফলে যে অধ্যাদেশ ২০টি বাতিল বা এখনই পাস হচ্ছে না, তার কার্যকারিতা আগামী ১০ এপ্রিলের পর লোপ পাবে। পাসের সুপারিশ করা ১১৩টি অধ্যাদেশ আগামী ৬ এপ্রিল থেকে পর্যায়ক্রমে তোলা হবে বলে সংসদে জানানো হয়। আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে বিলগুলো সংসদে পাস করতে হবে।

বিশেষ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী যে ২০টি অধ্যাদেশ আগামী ১২ এপ্রিলের পর কার্যকারিতা হারাতে যাচ্ছে তার বেশিরভাগই রাষ্ট্রীয় সংস্কারের অংশ হিসেবে জারি করা হয়েছিল বলে অন্তর্বর্তী সরকারের দাবি ছিল। ফলে এগুলো কার্যকারিতা হারালে অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার উদ্যোগ এক ধরনের হোঁচট খাবে। পাশাপাশি সংবিধান সম্পর্কিত সংস্কারের লক্ষ্যে প্রণীত জুলাই জাতীয় সনদ নিয়েও নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে সংস্কার প্রশ্নে সামনের দিনে সংসদসহ রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হতে পারে।

এদিকে বিচারপ্রতি নিয়োগ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশসহ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান অধ্যাদেশগুলো বাতিলের উদ্যোগ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন হুমকির মুখে ফেলবে বলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও সচেতন মহল। অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে করা এ অধ্যাদেশগুলো বাতিল বা সংশোধনের প্রস্তাব জুলাই বিপ্লবের চেতনার পরিপন্থি বলে তারা মতামত ব্যক্ত করেছেন।

কুশল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ info@bd24live.com
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ office.bd24live@gmail.com