• ঢাকা
  • ঢাকা, বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ১৫ সেকেন্ড পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১৭ দুপুর

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় হরমুজই এখন প্রধান লাল রেখা

ফাইল ফটো

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক আলোচনায় পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের আশঙ্কা, এই আলোচনার ফলাফল ইরানকে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন রুট হরমুজ প্রণালীতে আরও শক্তিশালী “কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ” এনে দিতে পারে।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলোচনাগুলোতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বা আঞ্চলিক মিত্রদের চেয়ে এখন বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সীমা এবং হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে ইরানের প্রভাব মোকাবিলার বিষয়টি।

বিশ্লেষক ও কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনার নতুন ফোকাস হতে পারে হরমুজ প্রণালী, যার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবাহিত হয়।

একজন গালফ কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেন, “এখন হরমুজই মূল লাল রেখা। আগে এটি আলোচনার বিষয় ছিল না, এখন সেটাই কেন্দ্রে চলে এসেছে।”

রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ মন্তব্য করে হরমুজকে “নিউক্লিয়ার পর্যায়ের কৌশলগত শক্তি” হিসেবে আখ্যায়িত করেন, যা ইরানের জন্য একটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে কাজ করতে পারে।

ইরানের নিরাপত্তা সূত্রগুলো রয়টার্সকে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীকে তারা বহু বছর ধরে পরিকল্পিত “কৌশলগত প্রতিরোধের হাতিয়ার” হিসেবে গড়ে তুলেছে। তাদের ভাষায়, এটি ইরানের “ভূগোলগত স্বর্ণসম সম্পদ”, যা আন্তর্জাতিক শক্তিগুলো সহজে উপেক্ষা করতে পারে না।

একজন সূত্র বলেন, হরমুজ এখন একটি “তলোয়ার” যা ইরান তার ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান থেকে প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারে—এটি পশ্চিমা ও আঞ্চলিক শক্তির জন্য বড় চাপ সৃষ্টি করতে সক্ষম।

তবে উপসাগরীয় দেশগুলো উদ্বিগ্ন যে আলোচনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র বা আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিষয়টি তুলনামূলকভাবে উপেক্ষিত হচ্ছে, যেখানে হরমুজকে কেন্দ্র করে একটি সীমিত সমঝোতার দিকে এগোচ্ছে কূটনীতি।

বিশ্লেষকদের মতে, এটি একটি নতুন বাস্তবতা তৈরি করতে পারে—যেখানে সংঘাত পুরোপুরি সমাধান না হয়ে বরং “নিয়ন্ত্রিত উত্তেজনা” হিসেবে টিকে থাকবে।

এমিরেটস পলিসি সেন্টারের প্রেসিডেন্ট ইবতেসাম আল-কেতবি বলেন, “এটি কোনো স্থায়ী শান্তি নয়, বরং সংঘাতকে টেকসইভাবে পরিচালনার একটি নতুন কাঠামো তৈরি হচ্ছে।”

গালফ অঞ্চলের বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনায় আঞ্চলিক দেশগুলোর সরাসরি অংশগ্রহণ না থাকলে, তাদের নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।

তবে তারা এটিও স্বীকার করেন যে, সামরিক ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র এখনো অঞ্চলে সবচেয়ে প্রভাবশালী শক্তি।

সার্বিকভাবে, বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান কূটনীতি শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তা নয়, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি ব্যবস্থার ভবিষ্যৎকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

সাজু/নিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ info@bd24live.com
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ office.bd24live@gmail.com