• ঢাকা
  • ঢাকা, রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৮ সেকেন্ড পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:২১ রাত

মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা ছিল ধারণার চেয়েও ভয়াবহ, চাঞ্চল্যকর তথ্য

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপর ইরানের সাম্প্রতিক হামলা নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম । এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান–যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের উত্তেজনার পর ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও সরঞ্জামের যে ক্ষতি হয়েছে, তা ওয়াশিংটন জনসম্মুখে যতটা স্বীকার করেছে, বাস্তবে তার চেয়ে অনেক বেশি গুরুতর। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি হোয়াইট হাউস।

প্রতিবেদনে উচ্চপর্যায়ের সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের সাতটি দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ইরানের হামলায় ব্যাপক ধ্বংস হয়েছে। এসব ক্ষতি মেরামতে কয়েক বিলিয়ন ডলার ব্যয় হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল উন্নত রাডার ব্যবস্থা, কমান্ড হেডকোয়ার্টার, বিমান রাখার হ্যাঙ্গার, স্যাটেলাইট যোগাযোগ অবকাঠামো এবং রানওয়ে। পাশাপাশি, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ডজনখানেক যুদ্ধবিমান এবং গুরুত্বপূর্ণ গুদামঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অন্যদিকে, পেন্টাগন এখনো এই ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)ও এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তথ্য গোপন রাখার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিপাবলিকান দলের অনেক আইনপ্রণেতা পেন্টাগনের এই গোপনীয়তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা অভিযোগ করেছেন, একাধিকবার তথ্য চাওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না।

এক কংগ্রেসনাল এইড এনবিসি নিউজকে ক্ষোভের সাথে জানান, কেউ কিছুই জানে না। পেন্টাগন ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাজেট চাইছে, অথচ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আমরা ক্ষয়ক্ষতির হিসাব চাইলেও তারা কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দিচ্ছে না।

মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর এই বিশাল ক্ষয়ক্ষতি এবং তা সংস্কারের বিপুল ব্যয় নতুন করে এক পুরনো বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের মতো প্রতিপক্ষের এত কাছাকাছি দূরত্বে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বজায় রাখা আসলে কতটা যুক্তিসঙ্গত, তা নিয়ে এখন ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে নতুন করে চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ অর্থনৈতিক বোঝা এবং সামরিক ঝুঁকি আগামী দিনে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন উপস্থিতির সমীকরণ বদলে দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কুশল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ info@bd24live.com
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ office.bd24live@gmail.com