• ঢাকা
  • ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ১০ সেকেন্ড পূর্বে
রাশেদুল ইসলাম রাশেদ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৯ জুন, ২০২৬, ০৫:৫৫ বিকাল

রক্ষাকবচই এখন আতঙ্ক, ক্ষতবিক্ষত গাইবান্ধার শহররক্ষা বাঁধ

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

গাইবান্ধা শহরকে বন্যার পানির আগ্রাসন থেকে রক্ষার জন্য নির্মিত শহররক্ষা বাঁধই এখন শহরবাসীর সবচেয়ে বড় আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রায় ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই বাঁধের অন্তত ৫০টি স্থানে বড় বড় গর্ত ও ধস সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই বাঁধের এমন বেহাল দশা দেখে নতুন করে শঙ্কায় পড়েছেন ঘাঘট নদ তীরবর্তী এলাকার হাজারো মানুষ। তাদের আশঙ্কা, নদীর পানি বাড়লেই ধসে পড়া অংশ দিয়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়তে পারে বন্যার পানি।

সরজমিনে শহরের নতুন ব্রিজ থেকে পূর্ব কোমরনই কুঠিপাড়া পর্যন্ত বাঁধের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখা যায়, জায়গায় জায়গায় মাটি সরে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। কোথাও কোথাও বাঁধের ঢাল ভেঙে পড়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় রক্ষাকবচ হিসেবে নির্মিত বাঁধটি এখন নিজেই অস্তিত্ব সংকটে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০১৯ সালের ভয়াবহ বন্যার পর তড়িঘড়ি করে বাঁধটি নির্মাণ করা হলেও শুরু থেকেই কাজে ছিল নানা অনিয়ম ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ। ফলে কয়েক বছরের মধ্যেই বাঁধের বিভিন্ন অংশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। সামান্য বৃষ্টি হলেই মাটি ধসে নতুন নতুন গর্ত তৈরি হচ্ছে।

বাসিন্দারা বলছেন, প্রতিবছর বর্ষা এলেই বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়, আর পানি উন্নয়ন বোর্ড নামমাত্র সংস্কার করে দায় সারে। কিন্তু স্থায়ী কোনো সমাধান না হওয়ায় একই সমস্যা বারবার ফিরে আসছে। এতে প্রতি বছর সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও কাঙ্ক্ষিত সুফল মিলছে না।

ঘাঘট নদপাড়ের বাসিন্দারা জানান, বর্তমানে বাঁধের অর্ধশতাধিক স্থানে ধস ও গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। নদীর পানি বাড়তে শুরু করলে এসব দুর্বল অংশ দিয়েই প্রথমে পানি প্রবেশের আশঙ্কা রয়েছে। তখন পুরো শহর আবারও বন্যার কবলে পড়তে পারে।

তাদের ভাষ্য, প্রতি বছর একই আশ্বাস শুনতে শুনতে তারা ক্লান্ত। দায়সারা সংস্কার নয়, তারা চান টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান। কারণ বর্ষা মৌসুমে ঘাঘট নদ ভয়ংকর রূপ নিলে এই দুর্বল বাঁধের ওপর ভরসা করা কঠিন হয়ে পড়ে।

তবে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাইবান্ধা অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শরিফুল ইসলাম। তিনি বিডি২৪লাইভ'কে বলেন, “বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ শুরু করা হবে।”

কিন্তু শহরবাসীর প্রশ্ন—প্রতি বছর একই প্রতিশ্রুতি মিললেও কেন থামছে না ধস? কেন কোটি কোটি টাকা ব্যয়ের পরও নিরাপদ নয় শহররক্ষা বাঁধ? ২০১৯ সালের ভয়াবহ বন্যার দুঃসহ স্মৃতি এখনো ভুলতে পারেননি তারা। তাই বর্ষার পানির চাপ বাড়ার আগেই বাঁধটির গুণগত ও স্থায়ী সংস্কারের জোর দাবি জানিয়েছেন গাইবান্ধাবাসী।

রোহান/সা.এ.

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]