টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ক্রমেই বেপরোয়া হয়ে উঠছে কুকুর। উপজেলার দুটি ইউনিয়নের গেল একমাসে কুকুরের হামলায় অন্তত ডজন খানেক ছাগল ও শতাধিক হাস মুরগির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
শনিবার (৪ জুলাই) আক্রান্ত এলাকাগুলোর বেশ কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কুকুররা দলবেঁধে বিভিন্ন সময় গৃহপালিত পশুর ওপর হামলা করছে। পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে কুকুরের দল মানুষ দেখেও ভয় পাচ্ছেনা। মানুষের সামনে থেকেই কখনো হাঁস-মুরগি আবার কখনো ছাগল টেনে হিচড়ে নিয়ে যাচ্ছে। মাঝে মধ্যে ছোট শিশুদেরকেও আক্রান্ত করার চেষ্টা করছে। এনিয়ে ভয়ানক আতঙ্কে দিন কাটছে উপজেলার জামুর্কী ও মহেড়া ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষের।
জামুর্কী ইউনিয়নের বানিয়ারা গ্রামের খন্দকার রাজিউল মতিন দ্রুব বলেন, উন্মুক্ত পদ্ধতিতে আমি হাঁস লালন করে থাকি। হাঁসগুলো পুকুরে খাওয়ার জন্য গেলেই দল বেঁধে কুকুর এসে হাস খেয়ে ফেলে। বিগত এক মাসে কুকুরের হামলায় আমার ৪০-৪৫টি হাঁস মারা গেছে।
একই এলাকার সৈয়দ মোয়াজ্জেম মিয়া বলেন, গত ৪-৫ দিন পূর্বে বাড়ির পাশের ক্ষেতে ঘাস খাওয়ানোর সময় একটি কুকুরের দল আমার ৩টি ছাগলের ওপর হামলা করে। এতে ঘটনাস্থলেই আমার ২টি ও পরের দিন ১টি কুকুর মারা যায়।
মহেড়া ইউনিয়নের ডোকলাহাটি গ্রামের আকলিমা বেগম বলেন, দুইদিন আগে আমি সাথে দাঁড়িয়ে থেকে ছাগলকে ঘাস খাওয়ানোর সময় হঠাৎ ৪টি কুকুর দলবেঁধে এসে আমার ছাগলের ওপর হামলে পড়ে। কুকুরগুলোর কামড়ে আমার ছাগল চকেই মারা যায়।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা (সদ্য বদলিকৃত) শুভাশিষ কর্মকার বলেন, কুকুর নিধন বা ভ্যাকসিনেসনের বিষয়ে আপাতত কোন কার্যক্রম চালু নেই। তবে কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত পশু-পাখি প্রাণি সম্পদ অফিসে নিয়ে আসলে ভ্যাকসিন করে দেয়া হয়।
সর্বশেষ খবর