নোয়াখালী দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ফেরিতে দুই ঘন্টার নদীপথ পার হতে ৯ ঘন্টা পর গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছেন যাত্রীরা। এতে দীর্ঘ সময় ফেরিতে আটকে পড়া যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। সবচেয়ে বেশী ভোগান্তির শিকার হয়েছেন রোগী, বয়স্ক ব্যক্তি, নারী ও শিশুরা।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে হাতিয়ার চেয়ারম্যান থেকে আড়াই শতাধিক যাত্রী ও পণ্যবাহী ১৬টি যানবাহন নিয়ে নলচিরা ঘাট অভিমুখে রওনা হয় বাংলাদেশের অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটি) এর মহানন্দা ফেরি। কিছুদূর যাওয়ার পর সকাল ৮টার দিকে ফেরিটি মেঘনা নদীর চরে আটকা পড়ে।
নদীতে জোয়ার আসার পর দুপুর ১২টার দিকে ফেরিটি নলচিরা ঘাটে পৌঁছে। কিন্তু এবার অতিরিক্ত জোয়ারের কারণে ঘাট থেকে ফেরির পল্টুনের সংযোগ সড়ক ডুবে যাওয়ার যাত্রীরা তীর উঠতে পারছিল না।বাধ্য হয়ে কেউ কেউ অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে স্পিডবোট ও নৌকায় ফেরি থেকে তীরে উঠেন।
যাত্রীদের অভিযোগ, ফেরিটি সকাল সাড়ে ৬টায় চেয়ারম্যান ঘাট থেকে ছাড়ার কথা থাকলেও এক ঘণ্টার বেশি বিলম্বে ছাড়া হয়। যার কারণে প্রথমে ভাটার সময় চরে তিন ঘন্টা আটকা পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে যাত্রীদের মধ্যে যাদের অফিস ও কোর্টে হাজিরা নির্ধারিত তারিখ ছিল তারা এবং যারা চিকিৎসার জন্য রোগী নিয়ে যাচ্ছেন তাদেরকে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়।
ফেরি মাস্টার মো. করিম বলেন, চেয়ারম্যান ঘাট থেকে ফেরি ছাড়তে ১০ মিনিট দেরি হয়েছে। এরপর প্রথমে ভাটার সময় মাঝ নদীতে আটকা পড়ে। পরে নলচিরা ঘাট পর্যন্ত পৌঁছলে অতিরিক্ত জোয়ারের কারণে পল্টুনের সাথে সংযোগ সড়ক ডুবে যাওয়ার কারণে যাত্রীরা নামতে পারেনি। জোয়ার -ভাটার কারণে সৃস্ট পরিস্থিতিতে আমাদের কিছু করার ছিল না। এই পরিস্থিতিতে ফেরি থেকে যানবাহনগুলোও নামানো সম্ভব হয়নি।
বাপ্পি/সা.এ
সর্বশেষ খবর