বিশ্বকাপজুড়ে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা ফ্রান্সকে কোনো সুযোগই দিল না স্পেন। ডালাসে অনুষ্ঠিত প্রথম সেমিফাইনালে একচেটিয়া আধিপত্য দেখিয়ে ২-০ গোলের জয়ে ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্প্যানিশরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রাখে স্পেন। আক্রমণ, মধ্যমাঠ ও রক্ষণ—তিন বিভাগেই আধিপত্য বিস্তার করে কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে ও মাইকেল ওলিসেদের নিয়ে গড়া ফরাসি আক্রমণভাগকে কার্যত নিষ্ক্রিয় করে রাখে তারা।
২২তম মিনিটে লামিন ইয়ামালের ওপর লুকাস দিনিয়ের ফাউলে পেনাল্টি পায় স্পেন। স্পটকিক থেকে নিখুঁত শটে দলকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক মিকেল ওইয়ারসাবাল।
বিরতির পরও আক্রমণাত্মক ফুটবল ধরে রাখে স্পেন। ৫৮তম মিনিটে দানি ওলমোর সঙ্গে দারুণ ওয়ান-টু পাস খেলে বক্সে ঢুকে গোল করেন পেদ্রো পোরো। এতে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্পেন।
৬৪তম মিনিটে লামিন ইয়ামাল আরও একটি গোল করলেও অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়। অন্যদিকে ম্যাচে ফেরার জন্য মরিয়া চেষ্টা করেও স্পেনের সুসংগঠিত রক্ষণ ভাঙতে পারেনি ফ্রান্স। বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলো কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা।
এই জয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল স্পেন। এর আগে ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে প্রথমবার ফাইনালে উঠে শিরোপা জিতেছিল তারা।
বিশ্বকাপে এটি ছিল স্পেন ও ফ্রান্সের দ্বিতীয় মুখোমুখি লড়াই। ২০০৬ সালের জার্মানি বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় ৩-১ গোলে জিতেছিল ফ্রান্স। তবে এবার সেই হিসাব চুকিয়ে দিল স্পেন।
এছাড়া বড় টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে নিজেদের দুর্দান্ত ধারাবাহিকতাও ধরে রাখল স্প্যানিশরা। ২০২০ ইউরো ছাড়া গত সাতটি বড় প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালের মধ্যে ছয়বারই ফাইনালে উঠেছে তারা।
আগামী রোববার নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল। সেখানে স্পেনের প্রতিপক্ষ হবে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হওয়া আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার বিজয়ী দল।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর