কাতার বিশ্বকাপে ২০২২ সালে ট্রফি জয়ের পর অনেকেই ভেবেছিলেন, সেটিই হবে লিওনেল মেসির শেষ বিশ্বকাপ। কিন্তু বয়সকে যেন উপেক্ষা করে ৩৯ বছর বয়সেও উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে তুলেছেন এই কিংবদন্তি ফুটবলার।
ফাইনালে স্পেনের কাছে হারলেও পুরো আসরে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন মেসি। তবে ২০৩০ সালের বিশ্বকাপের সময় তার বয়স হবে ৪৩ বছর। তাই সেই আসরে তার খেলার সম্ভাবনা খুবই কম বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।
তবে মেসিকে না পেলেও, তার বড় ছেলে থিয়াগো মেসিকে আর্জেন্টিনার জার্সিতে দেখার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন সমর্থকরা।
বর্তমানে ১৩ বছর বয়সী থিয়াগো ২০৩০ বিশ্বকাপের সময় ১৮ বছরে পা দেবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরে বেড়ানো বিভিন্ন বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, যদি সে দ্রুত পেশাদার ফুটবলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে, তাহলে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
থিয়াগো বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামির যুব একাডেমিতে খেলছে। ইতোমধ্যে ক্লাবটির অনূর্ধ্ব-১৪ দলের হয়ে শিরোপাও জিতেছে সে। তার পারফরম্যান্সের দিকে নজর রাখছেন ফুটবলপ্রেমীরা।
জন্মসূত্রে স্পেনের হয়ে খেলার সুযোগ থাকলেও থিয়াগো একাধিক সাক্ষাৎকারে আর্জেন্টিনার জার্সিতে খেলার ইচ্ছার কথা জানিয়েছে। বাবার পথ অনুসরণ করে জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করাই তার লক্ষ্য বলে সে উল্লেখ করেছে।
তবে ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, লিওনেল মেসির মতো কিংবদন্তির উত্তরসূরি হওয়া সহজ নয়। তাই থিয়াগোর ওপর অল্প বয়সেই অতিরিক্ত প্রত্যাশার চাপ সৃষ্টি না করে, তার স্বাভাবিক বিকাশের সুযোগ দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
উল্লেখ্য, থিয়াগো ছাড়াও মেসির দুই ছোট ছেলে মাতেও ও চিরোও ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। তবে আপাতত বড় ছেলে থিয়াগোকেই ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় ফুটবলার হিসেবে দেখছেন আর্জেন্টিনার অনেক সমর্থক।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর