• ঢাকা
  • ঢাকা, শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৩৮ সেকেন্ড পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ২৫ জুলাই, ২০২৬, ০৮:০৩ রাত

বছরে হাজার টন হিরে তৈরি হয় শনিতে? বিজ্ঞানীদের মডেলে মিলল নতুন ইঙ্গিত

ছবি: সংগৃহীত

শনি গ্রহে প্রতিবছর প্রায় এক হাজার টন হিরে তৈরি হতে পারে—এমনই সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে একদল বিজ্ঞানীর তাত্ত্বিক গবেষণায়। তবে এটি এখনো পর্যবেক্ষণে প্রমাণিত কোনো ঘটনা নয়; বরং শনির বায়ুমণ্ডল ও অভ্যন্তরের রাসায়নিক পরিবেশ বিশ্লেষণ করে তৈরি করা একটি বৈজ্ঞানিক মডেলের ফলাফল।

গবেষকদের মতে, শনির বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের পাশাপাশি অল্প পরিমাণ মিথেনও রয়েছে। এই মিথেনই হিরে তৈরির সম্ভাব্য উৎস। তাঁদের ধারণা, শনিতে ঘন ঘন বজ্রঝড়ের সময় বজ্রপাত মিথেন অণুকে ভেঙে কার্বন কণায় পরিণত করে। পরে সেই কার্বন ধীরে ধীরে গ্রহের গভীরে নামতে থাকে।

গভীরে নামার সঙ্গে সঙ্গে চাপ ও তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ে। প্রথমে কার্বন গ্রাফাইটে রূপ নেয়, এরপর আরও বেশি চাপের মধ্যে তা হিরেতে পরিণত হতে পারে। বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ায় প্রতি বছর প্রায় এক হাজার টন হিরে সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে এই হিরে দীর্ঘ সময় কঠিন অবস্থায় থাকে না বলেও ধারণা গবেষকদের। শনির আরও গভীরে তাপমাত্রা এতটাই বেশি যে, সেখানে পৌঁছে হিরে গলে তরল অবস্থায় চলে যেতে পারে। ফলে গ্রহটির গভীরে তরল হিরের স্তর বা সাগরের মতো অঞ্চলও থাকতে পারে বলে কিছু গবেষক অনুমান করছেন। যদিও এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এই ধারণার পেছনে রয়েছেন উইসকনসিন–ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক কেভিন বাইনেস ও তাঁর সহকর্মীরা। তাঁরা শনির বায়ুমণ্ডলের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য এবং পরীক্ষাগারে কার্বনের আচরণ বিশ্লেষণ করে এই মডেল তৈরি করেছেন। তাঁদের মতে, বর্তমানে শনিতে গিয়ে সরাসরি এ প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব না হলেও বিদ্যমান তথ্যের ভিত্তিতে এমন সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

তবে সব বিজ্ঞানী এই ব্যাখ্যার সঙ্গে একমত নন। অনেকের মতে, শনির বায়ুমণ্ডলে বাস্তবে কতটা কার্বন রয়েছে এবং তা আদৌ হিরেতে পরিণত হওয়ার মতো পরিবেশ তৈরি করে কি না, সে বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন। তাই শনিতে ‘হিরের বৃষ্টি’ বা বিপুল পরিমাণ হিরে তৈরির বিষয়টি এখনো নিশ্চিত বৈজ্ঞানিক সত্য নয়; এটি বর্তমান তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা, যা ভবিষ্যতের গবেষণার মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হতে পারে।

বাপ্পি/সা.এ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:


BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]