পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও কর্ম, ইসলামে শান্তি, প্রগতি, সৌহার্দ্য, সহিষ্ণুতা, বিশ্ব-ভ্রাতৃত্ব, মানবাধিকার ও নারীর মর্যাদা বিষয়ক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আজ বুধবার বাদ যোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ ‘মসজিদুল জামি’আয়’ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সভায় প্রধান অতিথি এবং প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
আরবী বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহা. মিজানুর রহমান ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান আলোচনায় অংশ নেন। মোনাজাত পরিচালনা করেন সিনিয়র ইমাম খতিব হাফেজ মওলানা নাজীর মাহমুদ।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ জীবনে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে জীবন গড়ে তুলতে পারলেই সমাজে শান্তি আসবে। তিনি বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন আল আমিন অর্থাৎ সত্যবাদী। অথচ বিনা কারণে আমরা মিথ্যা কথা বলি। নিঃস্বার্থ হওয়ার পরিবর্তে আমরা স্বার্থপর হই। পরমতসহিষ্ণুতার পরিবর্তে আমরা অসহিষ্ণু হই। অন্যের প্রতি দয়া প্রদর্শনের পরিবর্তে জুলুম করি। উপাচার্য বলেন, মহানবী (সা.) ছিলেন পূর্ণাঙ্গ মহামানব। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে সমাজে ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মিথ্যা কথা, অপবাদ, অন্যায়, অপকর্ম, হিংসা, বিদ্বেষ, উগ্রতা, অহংকার ও অহমিকা পরিহার করতে হবে। আমাদের কথা, কাজ ও আচরণের মাধ্যমে মহানবীর আদর্শের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পারলেই সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হবে। এতে ইসলাম ধর্ম ও মুসলিম জাতির শ্রেষ্ঠত্বও প্রমাণিত হবে।
রোহান/সা.এ.
সর্বশেষ খবর
ক্যাম্পাস এর সর্বশেষ খবর