• ঢাকা
  • ঢাকা, রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৯ সেকেন্ড পূর্বে
আক্কাস আল মাহমুদ রিদয়
বুড়িচং, কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:৩৩ বিকাল

বুড়িচংয়ে সরকারি স্কুলের মালামাল নিলাম ছাড়াই বিক্রির অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

কুমিল্লার বুড়িচং আনন্দ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবনের লোহার সিঁড়ি ও অন্যান্য মালামাল নিলাম বা টেন্ডার ছাড়াই বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও কয়েকজন সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের একাংশ শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, বুড়িচং আনন্দ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোখলেছুর রহমান ও তার কয়েকজন সহকারী শিক্ষকের যোগসাজশে বিদ্যালয়ের পুরাতন জরাজীর্ণ ভবনের লোহার সিঁড়িটি গোপনে বাজারদরের চেয়ে কম দামে বিক্রি করা হয়েছে।

রবিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয় ক্যাম্পাসের উত্তর-পূর্ব পাশে অবস্থিত পুরাতন জরাজীর্ণ দোতলা ‘যমুনা ভবন’টি সাবেক প্রধান শিক্ষক এ কে এম আমিনুল ইসলাম দায়িত্বে থাকাকালীন নিলামের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

পরে গত ৭ জুলাই ২০২৬ তারিখে উপজেলা নির্বাহী কার্যালয়ের মাধ্যমে স্থানীয় সোহাগ নামের এক ব্যক্তির সহযোগিতায় কুমিল্লার এক ঠিকাদার ভবনটি নিলামে ক্রয় করেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, ভবনের লোহার সিঁড়ি ও অন্যান্য কিছু মালামাল ওই নিলামের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

এরপর প্রধান শিক্ষক এ কে এম আমিনুল ইসলাম বিদ্যালয় থেকে বিদায় নেওয়ার পর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মোখলেছুর রহমান।

অভিযোগকারীদের দাবি, দায়িত্ব গ্রহণের পর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোখলেছুর রহমান ও তার কয়েকজন সহকারী শিক্ষকের যোগসাজশে গোপনে নিলাম বা টেন্ডার ছাড়াই বিদ্যালয়ের লোহার সিঁড়িটি জসিম নামের এক ব্যক্তির কাছে বাজারদরের চেয়ে কম দামে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোখলেছুর রহমান বলেন, সাবেক প্রধান শিক্ষক এ কে এম আমিনুল ইসলাম বিদ্যালয় থেকে যাওয়ার আগেই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জরাজীর্ণ দোতলা যমুনা ভবনটি বিক্রি করা হয়েছে। তবে লোহার সিঁড়ি ও অন্যান্য মালামাল কীভাবে বিক্রি হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি সঠিকভাবে জানেন না।এ বিষয়ে আরও প্রশ্ন করা হলে তিনি বিভিন্ন কাজের ব্যস্ততার অজুহাত দেখিয়ে বিস্তারিত উত্তর এড়িয়ে যান।

সাবেক প্রধান শিক্ষক এ কে এম আমিনুল ইসলাম বলেন,আমি থাকাকালীন সময়ে জরাজীর্ণ দোতলা যমুনা ভবনটি বিক্রি করা হয়েছে। এরপর সকল হিসাব ও অন্যান্য মালামাল ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোখলেছুর রহমানের নিকট বুঝিয়ে দিয়ে এসেছি।

তিনি আরও বলেন,লোহার সিঁড়িটি ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায় ক্রয় করেছিলেন।তবে বর্তমানে সিঁড়ি বিক্রির বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবন বা মালামাল বিক্রি করতে হলে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নিলাম বা টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা সম্পন্ন করতে হয়। কিন্তু সিঁড়ি ও অন্যান্য মালামাল বিক্রির বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না বলে দাবি করেন।

এ বিষয়ে বুড়িচং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বলেন, আমি শুনেছি জরাজীর্ণ ভবনটি নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। তবে সিঁড়ি ও অন্যান্য মালামাল কী করা হয়েছে, সে বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।

বুড়িচং আনন্দ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর হোসেন বলেন, জরাজীর্ণ দোতলা ভবনটি নিলামে বিক্রির বিষয়ে আমি অবগত আছি। তবে সিঁড়ি বিক্রির বিষয়ে আমাকে জানানো হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাপ্পি/সা.এ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]