জিম্বাবুয়েকে কোনো সুযোগই দিল না দক্ষিণ আফ্রিকা। দারুণ ব্যাটিংয়ের পর দুর্দান্ত বোলিংয়ে জিম্বাবুয়েকে ৪৮ রানে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা জিতেছে প্রোটিয়ারা।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) নামিবিয়ার উইন্ডহোকে অনুষ্ঠিত ফাইনালে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২০৫ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে। মাত্র ৮১ রানেই ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলা দলটি শেষ পর্যন্ত ১৫৭ রানে অলআউট হয়।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ব্যাট হাতে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন জর্ডান হারমান। মাত্র ২৯ বলে ৮টি চার ও একটি ছক্কায় ৫৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। ওপেনিংয়ে তার সঙ্গী কনর এস্টারহিউজেন ২৩ বলে করেন ৩২ রান। তার ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ২টি ছক্কা।
দুই ওপেনারের ব্যাটে ৭.৫ ওভারেই ৮৪ রান তুলে ফেলে দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর মাত্র ৯ রানের ব্যবধানে দুজনই সাজঘরে ফিরলেও দলের রান তোলার গতি থামেনি।
ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ও টনি ডি জর্জি ইনিংস সামলে নেন। ব্রেভিস ২টি চার ও ২টি ছক্কায় করেন ৩২ রান। টনি ডি জর্জির ব্যাট থেকে আসে ১১ বলে ১৭ রান। শেষ দিকে ঝড় তোলেন রুবিন হারমান ও ডুয়ান জানসেন। রুবিন ১৬ বলে ২৭ রান করেন। আর ডুয়ান ১৪ বলে ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন।
পাওয়ার প্লেতেই দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬৭ রান। মিডল ওভারে আরও ৯৬ রান যোগ করে তারা। শেষ পাঁচ ওভারে আসে ৪২ রান। তাতেই ২০৫ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে ফেলে প্রোটিয়ারা।
জবাবে শুরু থেকেই চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। শুরুর চার ব্যাটসম্যানের কেউই দুই অঙ্কের রান করতে পারেননি। অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ১৬ রান করেন। রায়ান বার্লের ব্যাট থেকে আসে ১৩ রান, আর মারুমানি ফেরেন মাত্র ৩ রান করে।
ফলে দ্রুতই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় জিম্বাবুয়ে। এরপর হারের ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করেন ব্র্যাড ইভান্স। ৩১ বলে ৪টি চার ও একটি ছক্কায় ৫৬ রান করে দলকে কিছুটা স্বস্তি দেন তিনি। মাটিগিমুর ব্যাট থেকে আসে ১৯ রান।
তবে ইভান্সের লড়াইও জিম্বাবুয়েকে হার থেকে বাঁচাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ১৫৭ রানেই থামে তাদের ইনিংস। ফলে ৪৮ রানের জয় নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা নিজেদের করে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা।
বল হাতে প্রোটিয়াদের হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন ডুয়ান জানসেন ও জর্ন ফরটিন। ইথান বোস শিকার করেন ২ উইকেট।
বাপ্পি/সা.এ
সর্বশেষ খবর