• ঢাকা
  • ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৪ সেকেন্ড পূর্বে
রফিকুল ইসলাম
বান্দরবন প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৮:৪০ রাত

লামায় ৩ দিনের মধ্যে পাহাড় কাটা বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

বান্দরবানের লামায় পাহাড় কাটা বন্ধে তিন দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় প্রশাসনকে এবং প্রশাসনের চাহিদামত প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার জন্য স্থানীয় আর্মি ক্যাম্প কমান্ডারকে নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ।

"বান্দরবানের লামায় ৪০ ইটভাটার জন্য পাহাড় ধ্বংস" শিরোনামে গত ২৫ আগস্ট দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। এছাড়া বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকে লামা উপজেলায় পাহাড় কেটে ধ্বংস করছে ইটভাটার মালিকরা এমন সংবাদ প্রকাশিত হলে জনস্বার্থে পাহাড় কাটা বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশনা চেয়ে হিউম্যান রাইট্স এন্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) গত ৩০ অক্টোবর হাইকোর্টে একটি রীট পিটিশন দায়ের করেন।

উক্ত রীট পিটিশনের শুনানী শেষে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জে বি এম হাসান এবং বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভুঁইয়া এর হাইকোর্ট বেঞ্চ চার সপ্তাহের রুল জারি করেন এবং একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করে তিন দিনের মধ্যে লামায় পাহাড় কাটা বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেন।

অপর এক আদেশে বিবাদীগনকে ৭ দিনের মধ্যে পাহাড় কাটার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে পরিবেশ আইনের ১৫ ধারা অনুসারে শাস্তি এবং অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ড প্রয়োগ করার নির্দেশনা দিয়েছেন এবং ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

শুনানীতে অংশ গ্রহন করা সিনিয়র এডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, পরিবেশ সংরক্ষন ১৯৯৫ আইনে পাহাড় কাটা বা ধ্বংস করার উপর বিধিনিষেধ রয়েছে। উক্ত আইনের ১৫ ধারায় পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের জেল বা অর্থ দন্ডের বিধান রয়েছে। আইনের কড়াকড়ি প্রয়োগ না হওয়ার কারনে পার্বত্যাঞ্চলে পাহাড় কেটে ইটভাটার মালিকরা পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে, যা বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।

তিনি আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে ইটভাটার মালিকরা এতই বেপরোয়া যে, আদালতের বিভিন্ন নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও তারা ইটভাটা পরিচালনার জন্য পাহাড় কাটছে। আদালতের জারি করা রুলে লামা উপজেলায় পাহাড় কাটা বন্ধে বিবাদীদের নিস্কৃয়তা কেন বেআইনি ঘোষনা করা হবেনা এবং বান্দরবান জেলার পাহাড় কাটা ও ধ্বংস করা বন্ধে কেন নির্দেশ দেয়া হবেনা এবং কেটে ফেলা পাহাড় পূর্বের অবস্থায় ফিরে আনার নির্দেশ কেন দেওয়া হবেনা তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

রীট পিটিশনে বাদী ছিলেন এইচআরপিবি এর পক্ষে এডভোকেট মোঃ ছারওয়ার আহাদ চৌধুরী ও এডভোকেট রিপন বারোই। বিবাদীরা হলেন পরিবেশ সচিব, ডিজি ও পরিচালক , পরিবেশ অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও বান্দরবান আর্মি ক্যাম্প কমান্ডারসহ ১১ জন।

রীটকারির পক্ষে শুনানী করেন সিনিয়র এডভোকেট মনজিল মোরসেদ। তাকে সাহায্য করেন এডভোকেট সঞ্জয় মন্ডল ও এডভোকেট নাছরিন সুলতানা। এসময় সরকার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল মহিউদ্দিন মোঃ হানিফ।

বাপ্পি/সা.এ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]