• ঢাকা
  • ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ১ মিনিট পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ০১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৪ রাত

শরীরে ট্যাটু থাকলে কি অজু হবে?

ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান সময়ে ট্যাটু বা উল্কি আঁকার প্রবণতা অনেক বেড়েছে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে এটি ফ্যাশনের অংশ হিসেবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তবে ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে ট্যাটু বা উল্কি আঁকার বিধান কী? আর শরীরে ট্যাটু থাকলে অজু ও গোসল সহিহ হবে কি না—এ বিষয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন রয়েছে।

হাদিসে শরীরে উল্কি আঁকা ও আঁকানোর ব্যাপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা এসেছে। হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) উল্কি অঙ্কন করতে নিষেধ করেছেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫৪০৮)

আরেক হাদিসে হজরত আবু জুহাইফা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) উল্কি অঙ্কনকারিণী ও উল্কি গ্রহণকারিণীর ওপর অভিসম্পাত করেছেন। পাশাপাশি সুদগ্রহীতা ও সুদদাতার ওপরও অভিসম্পাত করেছেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫৩৪৭)

ফকিহদের মতে, এসব হাদিসের আলোকে শরীরে স্থায়ী ট্যাটু বা উল্কি আঁকা হারাম এবং এটি কবিরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।

অজু ও গোসল শুদ্ধ হওয়ার জন্য শরীরের যেসব অঙ্গ ধোয়া ফরজ, সেখানে পানি পৌঁছানো জরুরি। তাই ট্যাটুর ধরন অনুযায়ী এ বিষয়ে বিধান ভিন্ন হতে পারে। যদি ট্যাটু এমন কোনো আবরণ তৈরি করে, যা ত্বকে পানি পৌঁছাতে বাধা দেয়, তাহলে অজু ও গোসল সহিহ হবে না। কারণ শরীরের নির্ধারিত অংশে পানি পৌঁছানো শরিয়তের অপরিহার্য শর্ত। তবে যদি ট্যাটু কেবল ত্বকের নিচে রং প্রবেশ করিয়ে তৈরি করা হয় এবং এর ফলে ত্বকের ওপর কোনো জলরোধী স্তর সৃষ্টি না হয়, তাহলে পানি পৌঁছাতে বাধা সৃষ্টি করবে না। সে ক্ষেত্রে অজু ও গোসল সহিহ হবে। তবে ট্যাটু আঁকার গুনাহ থেকে ব্যক্তি মুক্ত হবে না এবং এ জন্য তাকে তওবা করতে হবে।

ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা মানুষকে ‘সর্বোত্তম কাঠামোয়’ সৃষ্টি করার কথা উল্লেখ করেছেন। (সুরা তীন, আয়াত: ৪)

এ ছাড়া সুরা নিসায় শয়তানের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে যে, সে মানুষকে আল্লাহর সৃষ্টিতে পরিবর্তন আনতে উদ্বুদ্ধ করবে। (সুরা নিসা, আয়াত: ১১৭-১১৯)

ইসলামী স্কলাররা বলেন, অপ্রয়োজনীয়ভাবে শরীরের স্থায়ী পরিবর্তন সাধন, বিশেষ করে সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্দেশ্যে ট্যাটু করানো, এ আয়াতগুলোর আলোচ্য বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত।

ইসলামে মানুষের শরীরকে আল্লাহর দেওয়া আমানত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাই শরীরের ক্ষতি হয় বা আল্লাহর সৃষ্টিতে অপ্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হয়—এমন কাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাদের শরীরে আগে থেকেই ট্যাটু রয়েছে, তারা আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে তওবা করবেন। আর যদি চিকিৎসাগতভাবে নিরাপদ ও সম্ভব হয়, তাহলে ট্যাটু অপসারণেরও চেষ্টা করতে পারেন। তবে ট্যাটুর কারণে পানি পৌঁছাতে বাধা সৃষ্টি না হলে অজু ও গোসল আদায় করা যাবে।

সুতরাং, ইসলামের দৃষ্টিতে ট্যাটু করা বৈধ নয়। তবে অজু ও গোসলের ক্ষেত্রে মূল বিবেচ্য বিষয় হলো—ত্বকে পানি পৌঁছাচ্ছে কি না। পানি পৌঁছাতে কোনো বাধা না থাকলে অজু-গোসল সহিহ হবে, যদিও ট্যাটু করার গুনাহের বিষয়টি পৃথকভাবে বিবেচিত হবে।

বাপ্পি/সা.এ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]