• ঢাকা
  • ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ২৭ সেকেন্ড পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ০৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৮ দুপুর

বিমানবন্দরে হয়রানি-অনিয়মে ‘ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদের’ অভিযান

ছবি: সংগৃহীত

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় ট্রলির অপব্যবহার, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, যাত্রীসেবায় বিঘ্ন এবং নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত দাম রাখার অভিযোগে একাধিক প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিমানবন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব জরিমানা করা হয় বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান। রাত ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে তিনি এ তথ্য জানান।

নওশাদ খান জানান, অভিযানের আগে গোপনে লোক পাঠিয়ে যাত্রীদের সহযোগিতায় বিভিন্ন অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হয়। অভিযোগের সত্যতা হাতেনাতে প্রমাণিত হওয়ার পর উপস্থিত সাক্ষী ও সংশ্লিষ্টদের দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের তাৎক্ষণিক অর্থদণ্ড করা হয়।

যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে বিমানবন্দরে প্রতিদিন চারজন এয়ারপোর্ট এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। ট্রলি ও লাগেজ ব্যবস্থাপনা সুশৃঙ্খল করতে ‘টিম এয়ারপোর্ট’-এর সহযোগিতায় বিভিন্ন উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ট্রলি সংকট কমাতে বিভিন্ন বিমানবন্দর থেকে ট্রলি এনে মেরামত করে প্রায় ৫০০টি নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে আরও ১ হাজার ট্রলি সরবরাহের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি ট্রলির অবস্থান ও সরবরাহ পর্যবেক্ষণে শিফটভিত্তিক বিশেষ টিম ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ চালু করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, রানওয়ে মেরামতের কারণে রাতে কয়েক ঘণ্টা ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ থাকার পর পিক আওয়ারে একসঙ্গে বেশি ফ্লাইট অবতরণ করছে। ফলে কোনো কোনো সময়ে যাত্রীর তুলনায় ট্রলির সংখ্যা কম পড়ে যাচ্ছে এবং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে যাত্রীদের।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বছরে ৮০ লাখ যাত্রী সেবার সক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ যাত্রী বিমানবন্দরটি ব্যবহার করছেন। তাদের সঙ্গে আসা-যাওয়া করেন আরও প্রায় ২ কোটি মানুষ। বিপুল মানুষের উপস্থিতির কারণে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও অপরাধের সুযোগ তৈরি হওয়ায় নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি চালানো হচ্ছে।

লাগেজ চুরি বা হয়রানির অভিযোগেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কোনো যাত্রী লাগেজ ক্ষতিগ্রস্ত হলে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করা যায়। লাগেজ চুরি বা হয়রানির অভিযোগ থাকলে বিমানবন্দরের দ্বিতীয় তলায় ১ নম্বর টার্মিনালের ১ নম্বর গেট সংলগ্ন এয়ারপোর্ট এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ করা যাবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সপ্তাহের সাত দিন ২৪ ঘণ্টা পালাক্রমে একজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট যাত্রীদের অভিযোগ গ্রহণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দায়িত্ব পালন করেন। বডি-ওর্ন ক্যামেরা ও সিসি ক্যামেরার ফুটেজ যাচাই করে লাগেজ চুরির সঙ্গে কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

গত এক বছরে চার এয়ারপোর্ট এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বিভিন্ন অপরাধে ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা জরিমানা এবং ৫২৪ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন।

সাজু/নিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]