সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানকে ঘিরে একটি বেসরকারি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি। তার দাবি, মুরাদ হাসান প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে একটি মিডিয়া হাউজের কার্যালয়ে তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা ছিল। সেখানে মদ ও নারী দিয়ে তার মনোরঞ্জন করা হতো।
নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে এমন অভিযোগ করেছেন গোলাম মাওলা রনি।
স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘ডাঃ মুরাদ যখন তথ্য মন্ত্রী তখন একটি মিডিয়া হাউজের অফিসে তার জন্য বালাখানা ছিলো। মদ এবং নারী দিয়ে মন্ত্রীর মনরঞ্জন করা হতো।’
সাবেক এই সংসদ সদস্যের এমন বক্তব্যে তৎকালীন ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে গণমাধ্যমের একটি অংশের সম্পর্ক এবং প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ নতুন করে সামনে এসেছে।
তবে রনি তার বক্তব্যে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করেননি। অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণও উদ্ধৃত বক্তব্যে তুলে ধরেননি। ফলে তার অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
প্রসঙ্গত, ডা. মুরাদ হাসান আওয়ামী লীগ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে নারীদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য এবং একটি বিতর্কিত ফোনালাপ প্রকাশ্যে আসার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। পরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ওই বছরের ৭ ডিসেম্বর প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

ওই সময় তার বক্তব্য ও আচরণ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়।
এবার গোলাম মাওলা রনির অভিযোগে একটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে অভিযোগে কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম না থাকায় সেটির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে ডা. মুরাদ হাসান কিংবা সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা এবং এর সঙ্গে কোনো গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর