• ঢাকা
  • ঢাকা, শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৯ সেকেন্ড পূর্বে
আরিফ জাওয়াদ
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ০৮:২১ রাত

নিকাব বিতর্কে আত্মপক্ষ সমর্থন ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি ঢাবি শিক্ষিকার

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগে ক্লাস চলাকালীন নিকাবপড়ুয়া এক নারী শিক্ষার্থীকে ‘মৌলবাদী’ ও ‘সন্ত্রাসী’ বলে হেনস্তার অভিযোগ অস্বীকার করে বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুব। এ সময় নিরপেক্ষ তদন্ত দাবিও করেন তিনি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে লাইভে এসে এক লিখিত বক্তব্য এ দাবি করেন তাসনিম সিরাজ মাহবুব।।পরে গণমাধ্যমে ওই লিখিত বক্তব্য পাঠানো। অভিযুক্ত শিক্ষিকার দাবি, ক্লাস থেকে ওই নারী শিক্ষার্থী চলে গেলে, পরে দুঃখ প্রকাশ করার শ্রেণী কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন কিন্তু ওই সাড়া দেননি।

লাইভে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে তাসনিম সিরাজ মাহবুব বলেন, আসসালামু আলাইকুম। আমি তাসনিম সিরাজ মাহবুব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। গত ৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে আমার মাস ফাইনাল সেমিস্টারের ক্লাসে ঘটে যাওয়া ঘটনা এবং পরবর্তী বিভাগীয় সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আমার বক্তব্য তুলে ধরছি। আমি ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী এবং ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলি।

‘ধর্মীয় বিশ্বাস ও চর্চা আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমার প্রায় ৩৪ বছরের শিক্ষকতা জীবনে যেসব শিক্ষার্থী আমাকে কাছ থেকে দেখেছেন, তারা আমার ধর্মীয় বিশ্বাস, মূল্যবোধ ও আচরণ সম্পর্কে জানেন। কোনো শিক্ষার্থীর ধর্মীয় বিশ্বাস বা পোশাককে অবমাননা করার প্রশ্ন এখানে অবান্তর।’

‘সেদিন ক্লাসে দরজার বাঁ পাশে আরও দুজন ছাত্রীর সঙ্গে একজন শিক্ষার্থী বসেছিলেন, যাঁর চোখসহ পুরো মুখমণ্ডল ঢাকা ছিল। তার চোখ দেখতে না পাওয়ায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করতে পারছিলাম না।’

‘চোখে চোখ রেখে যোগাযোগ করতে না পারায় ওই শিক্ষার্থী আমার বক্তব্য কীভাবে গ্রহণ করছেন এবং শ্রেণিকক্ষের কার্যক্রমে কীভাবে অংশ নিচ্ছেন, তা বুঝতেও আমার অসুবিধা হচ্ছিল। এতে পাঠদানের সময় আমি স্বস্তি অনুভব করছিলাম না। একজন শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ পরিবেশে পাঠদান আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। সেই বিবেচনা থেকেই আমি বিষয়টি নিয়ে কথা বলি।’

‘এ প্রসঙ্গে আমি সূরা আন-নূরের ৩১ নম্বর আয়াতে বর্ণিত শালীনতা, সৌন্দর্য প্রদর্শন সীমিত রাখা এবং শরীর আবৃত করার নির্দেশের উল্লেখ করি। ক্লাসে বোরখা পরা অন্য দুই শিক্ষার্থীর উদাহরণ দিয়ে বলি, আল-কোরআনের অনুবাদ পড়ে আমার বোঝাপড়া অনুযায়ী, শরীরের গঠন স্পষ্ট না হয় এমন শালীন পোশাক পরেও মুখমণ্ডল দৃশ্যমান রাখা যায়। মুখমণ্ডল খোলা রাখা জায়েজ এমন ধর্মীয় ব্যাখ্যার কথাও তাঁকে বলি। নিজের হজ পালনের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে ইহরাম অবস্থায় নারীদের নেকাব না পরার বিষয়ে হাদিসের কথাও আলোচনা করি।’

‘এই পুরো আলোচনার মধ্যে তার পোশাক পরিবর্তনের বিষয়ে কোনো কথাই হয়নি। আমি কেবল চোখ দেখতে না পাওয়ার কারণে স্বস্তিবোধ করছি না এ কথা বলার পর তিনি ক্লাস থেকে চলে যান। তার সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো বিতর্ক হয়নি। তবে তাঁর পক্ষে কথা বলা অন্য একজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে মতবিনিময় হয়। তিনি পোশাক নির্বাচনের স্বাধীনতার কথা বললে আমি শিক্ষার্থীদের পরিচয় শনাক্ত করতে পারা এবং স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ পরিবেশে পাঠদানের প্রয়োজনীয়তার কথা বলি।’

‘একজন শিক্ষকের পক্ষে যেকোনো শিক্ষার্থীর পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হওয়া এবং শ্রেণিকক্ষে কার্যকর যোগাযোগে ব্যত্যয় ঘটলে শিক্ষাদানে কী ধরনের সমস্যা হতে পারে, তা বোঝানোই ছিল আমার বক্তব্যের মূল বিষয়।’

‘সেদিন একই ক্লাসে আরও অনেক শিক্ষার্থী শুধু হিজাব এবং হিজাবের সঙ্গে বোরখা পরে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মুখমণ্ডল দৃশ্যমান থাকায়, ক্ষেত্রবিশেষে শুধু চোখ দেখা যাওয়ায়, তাদের চিনতে আমার কোনো সমস্যা হয়নি। তাদের কাউকে পোশাক সম্পর্কে কিছু বলিওনি। সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে বলেছিলাম, অন্য শিক্ষার্থীরাও বোরখা ও হিজাব পরে এসেছেন এবং একইভাবে পর্দা করা যায়। এতে পর্দা সম্পর্কে ইসলাম ধর্মের যে নির্দেশ রয়েছে, তা পুরোপুরিভাবে পালিত হয়। সমগ্র মুখমণ্ডলের সঙ্গে তার চোখও ঢাকা থাকলে তাকে কীভাবে চিনব, সেই প্রশ্নও করেছিলাম।’

‘আমি তাকে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য করিনি। পোশাক পরিবর্তন করতে, নেকাব খুলতে কিংবা ক্লাস ত্যাগ করতেও নির্দেশ দিইনি। ধর্মীয় পোশাকের কারণে তাকে কোনো শাস্তি দিইনি বা ভবিষ্যতে আমার ক্লাসে আসতেও নিষেধ করিনি। আমার কথা ছিল চোখ ঢেকে রাখা নিয়ে, হিজাব, বোরখা বা পর্দার বিরুদ্ধে নয়। ক্লাস থেকে চলে যাওয়ার পর কয়েকজন শিক্ষার্থী আমার সঙ্গে কথা বলেন। তাদের কাছ থেকে জানতে পারি, ওই ছাত্রী সম্ভবত আমার কথায় ব্যথিত হয়েছেন এবং সে কারণেই ক্লাস ছেড়ে চলে গেছেন। তখন উপস্থিত শিক্ষার্থীদের বলি, আমি কখনোই চাই না আমার কথায় কেউ কষ্ট পাক। তোমরা যখন বলছ, সে কষ্ট পেয়ে চলে গেছে, আমি তাকে সরি বলতে চাই।’

‘তার কাছে সরাসরি দুঃখ প্রকাশ করার জন্য সহপাঠীদের মাধ্যমে তাকে বিভাগের ভেতরে খোঁজ করাই। যখন জানতে পারি, তিনি ২০৮১ নম্বর কক্ষে বসে আছেন, তখন আরেকজন ছাত্রীর মাধ্যমে তাকে তিনবার ডেকে পাঠাই। করিডরে দাঁড়িয়ে প্রায় ১০ মিনিট তার জন্য অপেক্ষা করি। তিনি পাশের কক্ষে অবস্থান করলেও বারবার খবর পাঠানোর পরও আমার সঙ্গে কথা বলতে ওই কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসেননি। ফলে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তার কাছে সরাসরি দুঃখ প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।’

‘একই সময়ে পরিবারের একজন গুরুতর অসুস্থ সদস্যের অস্ত্রোপচারের কারণে আমাকে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হয়। এই পারিবারিক সংকটের মধ্যেই জানতে পারি, আমার বক্তব্য বিকৃতভাবে প্রচার করা হচ্ছে, যা আমার বলা কথার প্রেক্ষাপট ও উদ্দেশ্য যথাযথভাবে তুলে ধরছে না। বিষয়টি আমাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে।’

‘আরও জানতে পারি, শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ইংরেজি বিভাগ আমার বক্তব্য গ্রহণ না করেই আমার সব কোর্স অন্য শিক্ষকদের মধ্যে বণ্টন করেছে। আমার ব্যাখ্যা উপস্থাপনের সুযোগ পাওয়ার আগেই এমন সিদ্ধান্তে আমি মর্মাহত হয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে আমার অনুরোধ, অভিযোগগুলোর বিষয়ে আমার পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা হোক। সভার বক্তব্য ও প্রাসঙ্গিক তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাটি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা হোক। এই প্রক্রিয়ায় আমি প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।’

‘ঘটনার পর বেনামি ফোন, ইমেইল, আপত্তিকর বার্তা ও হুমকি আমার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীসহ সবার মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং হুমকি ও হয়রানি প্রতিরোধে কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করছি। আমি বিশ্বাস করি, শ্রেণিকক্ষ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উভয়ের জন্য সম্মানজনক ও নিরাপদ স্থান হওয়া প্রয়োজন। পরিচয় যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে তা ধর্মীয় বিশ্বাস, ব্যক্তিগত মর্যাদা ও গোপনীয়তার প্রতি সম্মান রেখে সুস্পষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালার মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়া উচিত।’

‘গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ, আমার বক্তব্য যথাযথভাবে তুলে ধরুন এবং ঘটনাটির নিরপেক্ষ যাচাইয়ের সুযোগ দিন। পারস্পরিক সম্মান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ বজায় রেখে বিষয়টির ন্যায়সংগত নিষ্পত্তি প্রত্যাশা করছি। আমার কথা শোনার জন্য অনেক ধন্যবাদ। খোদা হাফেজ। আসসালামু আলাইকুম।’

প্রোপাগান্ডার শিকার তাসনীম সিরাজ, দাবি শিক্ষক নেটওয়ার্কের: রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা, অপতথ্য ও বিদ্যায়তনিক পরাধীনতার শিকার হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সহযোগী অধ্যাপক তাসনীম সিরাজ মাহবুব—এমন দাবি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। শনিবার (১০ অক্টোবর) সংগঠনটির এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।

এসময় ৩ দফা দাবিও জানায় প্লাটফর্মটি। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- ইংরেজি বিভাগ যে পদ্ধতিতে অধ্যাপক তাসনীম সিরাজ মাহবুবকে ক্লাস থেকে অব্যাহতি দিয়েছে, তা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আদেশ অনুযায়ী বেআইনী। শিক্ষকদের বিরুদ্ধে যেকোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্বে শিক্ষকের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হয়, যা মানা হয়নি। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ উর্ধ্বতন প্রশাসনের কাছে পাঠানো যেত, কিন্তু তা মানা হয়নি এবং এর পেছনে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে আমরা সন্দেহ করি। কাজেই পুরো ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানাই।

ব্যক্তিগত ও পাবলিক পরিসরে যে কেউ যেকোনো পোশাক পরতেই পারেন, কিন্তু আনুষ্ঠানিক কিছু কিছু ক্ষেত্রে (যেমন পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র, ভর্তি পরীক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা, এমনকি ক্লাসেও) প্রয়োজন অনুযাীয় মুখ দেখানো, ক্ষেত্রবিশেষে সার্বক্ষণিকভাবে চোখ অনাবৃত রাখা প্রয়োজন। এ বিষয়ে অসংজ্ঞায়িত অস্পষ্টতা প্রায়ই নানা স্তরে নিপীড়নের ঝুঁকি তৈরি করছে। এ ধরনের অস্পষ্টতার সূত্র ধরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও নিপীড়ন ও সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছেন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিচয় যাচাইয়ের জন্য শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের অধিকার ও দায় নির্দিষ্ট করতে হবে।

অনুমতি ছাড়া শিক্ষকের বক্তব্য ধারণ করা ও অনলাইনে খণ্ডিতভাবে ছড়িয়ে দিয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে অপতথ্যমূলক ক্যাম্পেইন করা সাইবার অপরাধ। যারা এই কাজ করেছে, তাদের যথোপযুক্ত আইনের আওতায় এনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার জন্য আমরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১৫তম ব্যাচের (২০১৯-২০ সেশন) ক্লাসে নেকাব পরে আসায় এক ছাত্রীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ (মৌলবাদী) ও ‘সন্ত্রাসী’ বলে কটাক্ষ করার অভিযোগ উঠে বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ওই শিক্ষার্থী বোমা হামলা করতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন ক্লাসে। পরে এর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা তাৎক্ষণিক ক্লাস বর্জন করেন। পরে শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগের পর তাকে ওই বিভাগের সব ধরনের ক্লাস থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। জরুরি একাডেমিক কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সাজু/নিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]