• ঢাকা
  • ঢাকা, রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৮ সেকেন্ড পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৩ দুপুর

হত্যাকাণ্ডে নতুন তথ্য: তাজমীন কীভাবে কক্সবাজারে গেল, জানালেন মা

ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লার কিশোরী জান্নাতুন তাজমীন হত্যাকাণ্ডে সামনে আসছে একের পর এক তথ্য। ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলের কর্মচারী রাজু চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ হয় তার। ওই তরুণের সঙ্গে দেখা করতে কক্সবাজার গিয়েছিল তাজমীন। তবে বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে মাকে জানিয়েছিল, সে এক বান্ধবীর বাসায় যাচ্ছে। পরে কক্সবাজার থেকে ফিরে বাড়ি যাওয়ার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমন মিয়ার হাতে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয় সে বলে দাবি পুলিশের।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তাজমীনের কক্সবাজার যাত্রার বিষয়টি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে হত্যাকাণ্ডে রাজু চৌধুরী বা তাজমীনের পরিচিত অন্য কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।

তাজমীনের মা কেয়া খাতুন জানান, মেয়ের বন্ধুবান্ধব ও চলাফেরা নিয়ে আগে থেকেই উদ্বিগ্ন ছিলেন তিনি। কোনো অঘটন ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কায় প্রায় ছয় মাস মেয়েকে স্কুলে যেতে দেননি। মেয়ের ওপর নজর রাখতেন এবং তার বন্ধুদের বিষয়ে জানতে চাইতেন। কিন্তু এত সতর্কতার পরও মেয়েকে রক্ষা করতে পারেননি তিনি।

কেয়া খাতুনের ভাষ্য, বৃহস্পতিবার বিকেলে মেয়ের সঙ্গে তার শেষ কথা হয়। তখন তাজমীন জানিয়েছিল, সে এক বান্ধবীর সঙ্গে আছে। মেয়েকে সেখান থেকে নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন তিনি। এ জন্য বান্ধবীর নাম ও তার মা-বাবার পরিচয় জানতে চাইলেও তাজমীন কিছু জানায়নি।

এদিকে তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাজমীনের মা যে বান্ধবীর বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন, তিনি বয়সে তাজমীনের চেয়ে বড়। তবে হত্যাকাণ্ডে ওই বান্ধবী বা তার পরিবারের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলেনি। তাজমীনের মোবাইল গেমের প্রতি আসক্তি ছিল বলেও তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।

পুলিশের দাবি, বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজার থেকে আসা বাসে পদুয়ারবাজারের হোটেল নূরজাহানের কাছে নামে তাজমীন। সেখান থেকে কুমিল্লা শহরের রেইসকোর্স এলাকার বাসায় যাওয়ার জন্য সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করে সে। অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণের পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রামের একটি ধানখেত থেকে তাজমীনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার সুমন মিয়া আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

তাজমীনের কক্সবাজার যাত্রা, ফেসবুকে পরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং হত্যাকাণ্ডের আগের ঘটনাপ্রবাহ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কুশল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]