চট্টগ্রামে সীতাকুণ্ড উপজেলায় এস এ গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান মুসকান ড্রিংকিং ওয়াটার কারখানায় অনিয়ম এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের বোতলজাতকরণ প্রক্রিয়া নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করায় দৈনিক জনবানী সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রতিনিধি জয়নাল আবেদীন কে ডেকে নিয়ে মুসকান কারখানার এক কর্মকর্তা আটকে রাখা হয় মর্মে অভিযোগ উঠেছে৷ এরপরে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশকে খবর দিয়ে কোন অভিযোগ ছাড়া এস আই নুরুলুল্লাহ, সাংবাদিক জয়নালকে ১৮ ঘণ্টা আটক করে রেখে মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে চট্টগ্রামের সাংবাদিক সমাজে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
এই ঘটনার প্রতিবাদে আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকাল ৩ টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দৈনিক জনবানী পত্রিকার সীতাকুন্ড উপজেলা প্রতিনিধি অনিয়মের সংবাদ প্রকাশ করায় তাকে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার ও কারাগারে প্রেরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সাথে সীতাকুন্ড থানার ওসি মহিনুল ইসলাম, ওসি তদন্ত মোস্তফা ও এস আই নুর উল্লাহকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে ও জয়নাল আবেদীনকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাকে মুক্তি না দেয়া না হলে সীতাকুন্ড থানা ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দেন সাংবাদিক সমাজ।
বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়নের সংস্থার, সীতাকুন্ডু উপজেলা কমিটির সভাপতি, শাহাদাৎ হোসেনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সভাপতি, কে এম রুবেল বলেন, অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের সঙ্গে কারো দ্বিমত থাকলে, তারাও সংবাদ এর মাধ্যমে জবাব দেওয়া বা আদালতে মামলা করত। অথচ তারা জয়নাল আবেদীনকে ১৮ থেকে ২০ ঘন্টা থানার আটক করে রেখে মামলা দিয়ে একটি ন্যাক্কারজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।
মানববন্ধনের চট্টগ্রাম রিপোর্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি সোহাগ আরফিন বলেন, সাংবাদিক সংগঠন গুলো গণমাধ্যমে স্বাধীনতার জন্য ধারাবাহিক আন্দোলন করে আসছে। এভাবে একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেফতার ঘটনা আমরা এই সময়ে কল্পনা করতে পারি না। বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, সীতাকুণ্ড জনবানী সাংবাদিক জয়নাল আবেদীনসহ যেসব কারাবন্দী সাংবাদিক কারা ভোগ করছেন তাদের মুক্তি দেয়া হোক।
মানববন্ধনে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও জেলা-উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর