ইরানের সর্বাধিনায়কের জ্যেষ্ঠ সহকারী ও উপদেষ্টা বলেছেন, আধিপত্যবাদী শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে ইরানি জনগণের দৃঢ় অবস্থানের কারণে শত্রুরা ভেবেছিল, কয়েক দিনের মধ্যেই ইরানকে পরাজিত করা সম্ভব হবে। কিন্তু ইরানি জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনী এখন সর্বোচ্চ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।
ইরানের জাতীয় সম্প্রচার সংস্থার বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানিয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতাবা খামেনেয়ীর জ্যেষ্ঠ সহকারী ও উপদেষ্টা মেজর জেনারেল সাইয়্যেদ ইয়াহিয়া সাফাভি এক বক্তব্যে বলেন, শহীদরা ইরানকে রক্ষা করেছেন। তিনি বলেন, শহীদরা না থাকলে ইরানও থাকত না। সাম্প্রতিক যুদ্ধের শহীদরাও দুই মহাশয়তান ও চরম অশুভ শক্তি—‘উন্মাদ ট্রাম্প’ ও ‘অপরাধী নেতানিয়াহুর’ বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিজেরাও জানে যে ইরান পূর্ণ শক্তি ও প্রস্তুতির মধ্যে রয়েছে। ইরানের সেনাবাহিনীসহ দেশটির সশস্ত্র বাহিনী দৃঢ়তার সঙ্গে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে।
বিশ্বের সমীকরণে ইরানের প্রভাব প্রসঙ্গে মেজর জেনারেল সাফাভি বলেন, পশ্চিমা বিশ্বের একটি দেশের কয়েকজন বন্ধু ইরানে এসে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো একমাত্র দেশ হলো ইরান। পারমাণবিক শক্তিধর দুই পক্ষ—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস কারও ছিল না। কিন্তু ইরান দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। এদিকে, ইরানের সেনাবাহিনীর নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি ‘রমজান যুদ্ধের’ সময় নৌবাহিনীর সদস্যদের আত্মত্যাগ, সাহসিকতা ও নিষ্ঠার কথা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ইরানের নৌবাহিনীর সাহসী সদস্যরা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক এলাকায় কার্যকর ও দায়িত্বশীল উপস্থিতির মাধ্যমে ইরানের জলসীমার সুরক্ষা এবং দেশটির সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও শক্তি বজায় রাখতে ভূমিকা রেখেছেন।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর