ফেনীতে অবৈধ অস্ত্র নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে কলেজছাত্রী মেহেরা সুলতানাকে (১৭) হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ফেনী মডেল থানা মামলা নেয়নি দাবি করে আদালতে মামলা করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। তাদের অভিযোগ, ঘটনার পর থেকে পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।
আদালতে দাখিল করা মামলার নথি অনুযায়ী, ফেনী সদর উপজেলার রামপুর এলাকার বাসিন্দা মেহেরা সুলতানা এ মামলার ভুক্তভোগী। মামলায় চিকিৎসক মেহেদী হাসান রাজুসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে, তবে অভিযোগের সত্যতা এখনো বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রমাণিত হয়নি।
পরিবারের দাবি, গত ১৫ অক্টোবর রাতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মেহেদী হাসান রাজু তার বড় ভাই মতিন পাটোয়ারীর বাসায় হামলা ও ভাঙচুর চালান, এতে মতিন পাটোয়ারীর স্ত্রীসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য আহত হন। এ ঘটনায় ফেনী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।
এর প্রতিবাদে গত ১৭ অক্টোবর ফেনী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন আহত পরিবারের সদস্যরা, সেখানে মেহেদী হাসান রাজুর বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্রসংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে বক্তব্য দেওয়া হয়, এর পরিপ্রেক্ষিতে মেহেরা সুলতানাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছে পরিবার।
পরিবারের সদস্যরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, আইনগত প্রতিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের ডা: মেহেদী হাসান রাজু জানান,অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি তার কাজের লোকের সাথে উচ্চ স্বরে কথা বলেছেন, তখন মেহেরা সুলতানাকে নিচে দেখলে তিনি চলে যেতে বলেন, এর বাইরে কোন ঘটনা ঘটে নি তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় থানায় মামলা না নেওয়া প্রসঙ্গে ওসি আমিনুল ইসলাম জানান,তাদের পারিবারিক বিরোধের বিষয়টি তার মা সহ বসে সমাধান করা হয়েছে, সেখানে উভয়ে মিমাংসা করেছে, এখন আবার নতুন করে ঝামেলা সৃষ্টি হয়েছে।
স্বাধীন/সা.এ.
সর্বশেষ খবর