• ঢাকা
  • ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ১৬ সেকেন্ড পূর্বে
আবু বক্কর মিলটন
বাউফল (পটুয়াখালি) প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ০৪:২৯ দুপুর

বাউফলে অভাবের সংসারে আশার আলো নদীতে ফিরছেন জেলেরা

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) মধ্যরাতে। নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে ফেরার অপেক্ষায় পটুয়াখালীর বাউফলের জেলেরা। জাল মেরামত আর নৌকা প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তাঁরা, বুকভরা আশা—এবার মিলবে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ।

উপজেলায় নদীর তীরবর্তী এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বাড়ির আঙিনা ও রাস্তার পাশের খোলা জায়গায় বসে জাল মেরামতে ব্যস্ত জেলেরা। কেউ পুরোনো জাল ঠিক করছেন, কেউ প্রস্তুত করছেন মাছ ধরার ট্রলার। আবার কেউ নদীতে নামার আগে জ্বালানি ও খাবার সংগ্রহ করছেন। তবে নদীতে ফেরার এই ব্যস্ততার আড়ালেও জেলেদের চোখেমুখে রয়েছে অভাব-অনটন আর কাঙ্ক্ষিত মাছ পাওয়ার অনিশ্চয়তা।

ছেলেরা বলছেন নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন মাছ ধরতে না পেরে চরম অর্থসংকটে পড়েছি আমরা। কিস্তির জ্বালায় ধারদেনা করে সংসার চালাতে হয়েছে অনেককে। এর মধ্যে সরকারি খাদ্য সহায়তা চাল পরিপূর্ণ নয় বলে অভিযোগ তাঁদের। তবে নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে পর্যাপ্ত ইলিশ পাওয়ার আশায় বুক বাঁধছেন ।

চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের জেলে মাঈনুদ্দিন মাঝি (৪৫) বলেন, গত মৌসুমে সাড়ে তিন লাখ টাকা খরচ করে মাত্র এক লাখ ৪২ হাজার টাকার মাছ বিক্রি করেছি। লাভ তো দূরের কথা, ঋণের বোঝা নিয়ে মৌসুম শেষ হয়েছে। এরপর ২২ দিন মাছ ধরা বন্ধ থাকায় আরও বিপদে পড়েছি। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অনেকে নদীতে নামলেও আমরা আইন মেনে মাছ ধরা থেকে বিরত ছিলাম। এখন নদীতে মাছ পেলে হয়তো দেনা শোধ করতে পারব।

শৈল গ্রামের জেলে রাজ্জাক মতিন (৫২) বলেন, এই ২২ দিন পরিবার নিয়ে কীভাবে চলেছি, তা আমরাই জানি। মাছ ধরা বন্ধ থাকলে আমাদের আয়ও বন্ধ। তখন চাল না পেলে চুলায় আগুন জ্বালানোও কঠিন হয়ে পড়ে।

জেলে কাইয়ুম হোসেন বলেন, আমরা গোল্টিজাল দিয়ে ইলিশ ধরি। নিষেধাজ্ঞার সময় রিকশা চালিয়ে সংসার চালিশেছি। এখন নদীতে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ইলিশ পাওয়া গেলে সংসার ভালোভাবে চলবে, আর না পেলে ঋণ করে চলতে হবে।

এদিকে মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হতে না হতেই আগামী ১ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে জাটকা সংরক্ষণে আট মাসের নিষেধাজ্ঞা। যা চলবে আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত। এ সময় ১০ ইঞ্চি বা ২৫ সেন্টিমিটারের কম দৈর্ঘ্যের ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ ও ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ থাকবে। আইন অমান্যকারীদের সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এম.এম পারভেজ বলেন, ইলিশ রক্ষা অভিযান সফল করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। যারা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার করতে নদীতে নেমেছেন তাদের আটক ও শাস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সাথে নিষেধাজ্ঞার সময় কর্মহীন জেলেদের মানবিক সহায়তা কর্মসূচির চাল বিতরণ করা হয়েছে।

স্বাধীন/সা.এ.

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ info@bd24live.com
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ office.bd24live@gmail.com