যে কারণে মামলা করেছেন নায়িকা অন্তরার মা
বিনোদন ডেস্ক: ঢাকাই চিত্রনায়িকা পারভীন আক্তার লাকি ওরফে অন্তরার মৃত্যুর রহস্য বেড়েই চলছে। আদালতের আশ্রয় নিয়েছেন অন্তরার মা আমেনা। ৩ বছর পর কবর থেকে তোলা অন্তরার দেহাবশেষ থেকে ডিএনএ নমুনা ও ভিসেরা সংগ্রহ হয়েছে। বুধবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে ৩ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড তার দেহাবশেষ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহামুদ এ বিষয়টি জানান।
তিনি বলেন, আমরা অন্তরার হাড়গোড় পেয়েছি। ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ঊরুর হাড় থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছি ও বুকের হাড় থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ভিসেরা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন এলে বিস্তারিত বলা যাবে। এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর আজিমপুর পুরনো কবরস্থান থেকে অন্তরার মরদেহ তোলা হয়। বিকালে আজিমপুর কবরস্থানে পুনরায় দাফন করা হয়েছে।
অন্তরার মা আমেনা খাতুন জানান, ২০১৪ সালের ৮ জানুয়ারি বিকাল সাড়ে ৫টায় মারা যান অন্তরা। তখন প্রচার করা হয় মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।
তিনি জানান, অন্তরার সৌন্দর্যের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে এবং অর্থের লোভে নিজেকে অবিবাহিত বলে ২০১০ সালের ২৬ মে অন্তরাকে বিয়ে করেন গাজীপুরের শ্রীপুরের মাওনা উত্তরপাড়ার ধনাঢ্য ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম খোকন। গাজীপুরে শুটিং করতে গিয়েই তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান অন্তরা। প্রথম দিকেই খোকন তাকে জানান, তার স্ত্রী নেই, মারা গেছেন।
তিনি জানান, অন্তরার আগেও একটি বিয়ে হয়েছিল। ওই পক্ষে অপ্সরি জান্নাত নামে এক কন্যাসন্তান রয়েছে। তা জেনেই তাকে বিয়ে করেন খোকন। কিন্তু বিপত্তি ঘটে খোকনের বেলায়। বিয়ের কিছুদিন পরেই অন্তরা জানতে পারেন খোকনের স্ত্রী ও পাঁচ সন্তান রয়েছে। শুরু হয় কলহ। খোকন তাকে গাজীপুরে নিয়ে যেতে চাইলে রাজি হননি অন্তরা। একপর্যায়ে রাজধানীর রমনা এলাকার আড়ং প্লাজার নবম তলার একটি ফ্ল্যাটে সংসার শুরু করেন খোকন-অন্তরা। কিন্তু দু’জনের কলহ লেগেই ছিল। এর মধ্যেই আইয়ান ইসলাম অর্থ নামে এক পুত্রসন্তানের জন্ম হয়।
এদিকে ছেলেকে নিয়ে সৃষ্ট বিরোধকে কেন্দ্র করে ২০১৫ সালের ৫ মার্চ বাসায় গিয়ে আমাকে হুমকি দিয়ে খোকন বলেন ‘তোর মেয়েকে শেষ করেছি। এবার তোদেরকেও শেষ করে দেব।’ তারপরই ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যার অভিযোগে পিটিশন মামলা করি। এ প্রেক্ষিতে গত ১২ জানুয়ারি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দশম আদালতের বিচারক অন্তরার লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন। সেইসঙ্গে ১১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬৭৮৬৭৭১৯১
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬৭৮৬৭৭১৯০
মার্কেটিং ও সেলসঃ ০৯৬১১১২০৬১২
ইমেইলঃ [email protected]





পাঠকের মন্তব্য: