বাস্তবেও কি সত্যিই রহস্যময় ভ্যাম্পায়ারের অস্তিত্ব আছে?

প্রকাশিত: ০৪ মার্চ ২০১৫, ০৮:৪১ পিএম

“ভ্যাম্পায়ার” এই নামটির মধ্যেই কেমন জানি রহস্য বিদ্যমান। যার আভিধানিক অর্থ হচ্ছে রক্তচোষা। ভ্যাম্পায়াররা রক্ত খেয়েই বেঁচে থাকে। এই কথাটি যারা ভ্যাম্পায়ার শব্দটির সাথে পরিচিত, তাদের সকলেরই জানা আছে।

হ্যালোইন পার্টিতে সকলেরই প্রিয় সাজ হল এই ভ্যাম্পায়ার। কিন্তু, তাদের বছরের পর বছর শুধু বই, ব্লগ, সিনেমা ও টিভিতেই দেখা যাচ্ছে। মানুষের ভ্যাম্পায়ার সম্পর্কে এতো বেশী পিপাসা রয়েছে যেমনটা একটি ভ্যাম্পায়ারের রয়েছে রক্ত খাওয়ার জন্য।
আধুনিক যুগের লেখকেরা যেমন- স্টিফেন ম্যায়ের, অ্যানি রিস, স্টিফেন কিংএবং আরও অসংখ্য লেখক ভ্যাম্পায়ার সম্পর্কে লিখেছেন। কিন্তু, ভ্যাম্পায়ার আসলে আসলো কোথা থেকে? তা কি আমরা জানি?

সব থেকে বিখ্যাত ভ্যাম্পায়ার এর নাম জানতে চাইলে, অবশ্যই উত্তর আসবে ব্রাম স্টোকার ড্রাকুলার। তিনি ভ্লাড টেপেস নামের একজন রোমানিয়ান রাজকুমারের চরিত্রে “রিয়াল” ছবিতে অভিনয় করেন। একজন রক্তচোষা হিসেবে ভ্লাড টেপেস এর চরিত্রায়ন করা হয়। সে শুধু একজন রক্তচোষা হিসেবেই নয়, অটোমান তুর্কির সাম্রাজ্য রক্ষী ও জাতীয় নায়ক হিসেবে চরিত্রায়ন করা হয়।

অধিকাংশ মানুষ রক্তচোষা বাদুরের নামের সাথে পরিচিত। অনেকের ধারণা মতে, মানুষ বাদুরের স্লাভিক উৎসের কারনে ক্ষতিগ্রস্ত হলে, তাদের মাঝে রক্তচোষার সমস্যা শুরু হয়। আরও শত শত বছর আগে থেকে এই ধারণা প্রচলিত। তবে এসব শুধুই ভ্রান্ত-ধারণা। এর কোন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই।

# ভ্যাম্পায়ারকে চিহ্নিত করাঃ
অনেকেই বলে থাকেন, ভ্যাম্পায়ারদের নির্দিষ্ট কোন লক্ষন নেই, যা দ্বারা তাদের চিহ্নিত করা যেতে পারে। তবে একেক জনের একেক রকম বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ বাদুড় বা শিয়ালে রুপান্তরিত হতে পারে। ধর্মীয় কোন জিনিস তারা ধরতে পারে না বা শুনতে পারে না। সূর্যের আলো তাদেরকে ধ্বংস করে। তারা অনেক ধনী হন। তাদের স্বাস্থ্য অনেক ভালো থাকে। তবে সকলের ক্ষেত্রে এক নয়। লেখকেরা তাদের ইচ্ছামত গল্প লিখে তাদের বিভিন্ন নতুন নতুন সনাক্তকরণ পদ্ধতি বের করছেন।

ভ্যাম্পায়ার সম্পর্কে সকল ধারণা বিভিন্ন কুসংস্কার হতে এসেছে। প্রথম প্রথম মানুষের কোন ক্ষতি হলে, ফসল নষ্ট হলে, আগুন লাগলে ইত্যাদির জন্য মানুষ ভাগ্যকে দোষারোপ করত। তখন থেকেই এই ভ্যাম্পায়ার এর সৃষ্টি। বিজ্ঞানের আবির্ভাবের পূর্বে মানুষের বিভিন্ন ক্ষতির জন্য ভ্যাম্পায়ারকে দোষারোপ করা হত। পরে দিন বদলের সাথে সাথে বিভিন্ন নতুন নতুন কাহিনী রচনার মাধ্যমে ভ্যাম্পায়ার এর নতুন রহস্য তৈরি হয়েছে।–সূত্র: লাইভ সাইন্স।
সম্পাদনা: ফাতেমা তুজ জহুরা।

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: