পৃথিবীর সবচাইতে সুন্দর ৪ গাছ (ছবিসহ)

প্রকাশিত: ২৯ জুন ২০১৫, ০৭:৪১ পিএম

গাছ আমাদের দৈনন্দিন বেঁচে থাকার জন্য অত্যাবশ্যক ও প্রকৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের এই উপগ্রহে প্রায় ২৩০০০ ধরনের গাছ আছে। এই গাছ গুলোই আমাদের খাদ্য যোগায়, বাসস্থান যোগায় আবার প্রয়োজন হলে তাদের অপার সৌন্দর্য দিয়ে বিনোদনের ব্যবস্থাও করে দেয়। পৃথিবীতে আছে এমন কিছু চমৎকার ও দীর্ঘজীবী গাছ যা আমাদের বিস্ময় করে, পুলোকিতও করে। তাদের আকার, রুপ, ফুল ও ছায়া আমাদের মুগ্ধ করে। দেখে চোখ জুরিয়ে যায়। আজ জানবো তেমনি সুন্দর কিছু গাছ সম্পর্কে:

কানাডার ১২৫ বছরের বেশি বয়সী এই রোডোড্রেন্ডোন:
১২৫ বছরেরও বেশি বয়সী এই রোডোড্রেন্ডোন গাছটি আসলে অনেকটা ঝোপের মতো। প্রথমে এ গাছটি এতোটা জনপ্রিয় ছিলো না। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে এর ফুল ও সৌন্দর্য মানুষকে আকৃষ্ট করতে থাকে। এতো বছর বয়স হওয়ার পরেও এখোনো নিজের ফুল, সুবাস ও সৌন্দর্য নিয়ে দ্বারিয়ে আছে শতাব্দীর সাক্ষী হয়ে।

জাপানে ১৪৪ বছর বয়েসী ওয়েস্টেরিয়া:
এই ব্যাপক আকারের রক্তবর্ণ এবং গোলাপী উজ্জ্বল ছায়া গাছটি জাপানে অবস্থিত। সারা পৃথিবী থেকে অসংখ্য মানুষ এই গাছ দেখতে আসে। যা প্রায় ১৯৯০ বর্গ ফুট জায়গা জুড়ে থাকা এই গাছটি পৃথিবীর বড় গাছগুলোর মধ্যে একটি। প্রায় ১৪৪ বছরেরও বেশি ধরে দাড়িয়ে আছে আপন মহিমায়।

পোর্টল্যান্ডের জাপানি ম্যাপেল, অরেগন:
এটিও অনেক পুরোনো একটি গাছ। তবে অন্যান্য মাসের তুলনায় বসন্ত এবং গ্রীষ্মকালে এ গাছের সৌন্দর্য বেশী ফুটে উঠে। এই গাছের বাহারি রঙ মানুষকে আকৃষ্ট করে। দেখতে অনেকটা প্রজ্বলিত আগুনের মতো। জাপানের অরিগনের পোর্টল্যান্ডে এই গাছটি অবস্থিত। ফুল ছারাও গাছ যে কতোটা সুন্দর হতে পারে এটা তারই উদাহারণ।

ড্রাগণ ব্লাড ট্রি:
ভাবতেই পারেন, গাছের নাম ড্রাগণ ব্লাড! আসলে এই গাছ লাল রঙ উৎপাদন করে আর তা থেকেই এমন নাম। বেশ অদ্ভুত এবং সুন্দর দেখতে লাগে ইয়েমেনের সানা দ্বীপের এই গাছগুলোকে। ড্রাগণ ব্লাড গাছ খুব অল্প পরিমাণে বেরি জাতীয় ফল উৎপাদন করে যা বন্য প্রানীদের খাবারের উৎস। -সূত্র: আর্থপ্রম।

সম্পাদনা: তাহমিনা শাম্মী।

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: