
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার ভালুকাকুড়া এলাকায় ৭ম শ্রেণি পড়ুয়া শিক্ষার্থী মায়মুনা আক্তারকে হত্যার প্রতিবাদ ও হত্যায় জড়িত ছাইদুল ইসলামের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৩০ আগষ্ট) দুপুরে কালাপাগলা বাজারে কালাপাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ এ মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করেন। মানববন্ধনে অভিযুক্ত ছাইদুল ইসলামের দ্রæত বিচার সম্পন্ন করে ফাঁসির দাবি জানানো হয়।
এই মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- নিহত শিক্ষার্থী মাইমুনার পিতা মফিজুল ইসলাম, কালাপাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হিলালী ফেরদৌস, সহকারী শিক্ষক আবু জাফর মোহাম্মদ রাসেল, এসএম ইউসুফ, মোহাম্মদ আব্দুল হাকিম, মোহাম্মদ নাহিদুল ইসলাম ও মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক সবুজ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, মায়মুনা গত ২৩ আগস্ট শনিবার দুপুরে সহপাঠীদের সঙ্গে পুতুল খেলার সময় ফুল আনতে বাড়ির পাশের জঙ্গলে গিয়ে মায়মুনা নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের তিন পর মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয়রা বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে কচুরিপানার ভেতর মাইমুনার মরদেহ দেখতে পান। পুলিশ রাতেই লাশ উদ্ধার করে শেরপুর জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ সময় তার গলায় ওড়না প্যাঁচানো ছিল।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ। একপর্যায়ে ঢাকার খিলগাঁওয়ের তিলপাপাড়া এলাকা থেকে গত বৃহস্পতিবার ছাইদুলকে গ্রেপ্তার করে। পরে শুক্রবার শেরপুর আদালতে হাজির করলে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন।
এতে তিনি বলেন, ঘর জামাই বলে উপহাস করায় ক্ষুব্ধ হয়ে মায়মুনাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখেন।
সালাউদ্দিন/সাএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর