বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) আবারও শিরোপা জয়ের স্বাদ পেল রাজশাহী। শুক্রবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে চট্টগ্রাম রয়েলসকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। এর আগে ২০২০ সালে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাঁচ বছর পর বিপিএলের ১২তম আসরে নতুন নামে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স হিসেবে মাঠে নেমে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জয়ের উল্লাসে মেতে উঠেছে দলটি।
টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহী নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৭৪ রান। দলের হয়ে রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরি করেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকা চট্টগ্রাম রয়েলস ১৭.২ ওভারে মাত্র ১১১ রানে অলআউট হয়ে যায়। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন পাকিস্তানি ওপেনার মিরাজ বেগ। আরেক পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান আসিফ আলি করেন ২১ রান। ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চট্টগ্রামের সাতজন ব্যাটসম্যানই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন।
এর মাধ্যমে চট্টগ্রাম রয়েলস তৃতীয়বারের মতো বিপিএল ফাইনালে উঠে শিরোপা হাতছাড়া করল।
এর আগে ব্যাট হাতে রাজশাহীকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান ও তানজিদ হাসান তামিম। এই জুটি ১০.২ ওভারে ৮৩ রানের দুর্দান্ত ওপেনিং পার্টনারশিপ গড়ে তোলে। ৩০ বলে দুই চার ও এক ছক্কায় ৩০ রান করে সাজঘরে ফেরেন পাকিস্তানি ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান।
এরপর ইনিংসের পুরো নিয়ন্ত্রণ নেন তানজিদ হাসান তামিম। ২৯ বলে ছয়টি ছক্কায় অর্ধশত পূর্ণ করেন তিনি। পরের ৩১ বলে সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে বিপিএল ফাইনালে শতরানের অনন্য রেকর্ড গড়েন এই বাঁহাতি ওপেনার। বিপিএলে এটি তার তৃতীয় সেঞ্চুরি।
৬১ বলে শতরান করার পর ইনিংস দীর্ঘ করতে পারেননি তানজিদ। ১৮.৫ ওভারে দলীয় ১৬৩ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন তিনি। শেষ দিকে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ৭ বলে ১১ রান করে ফিরলেও রাজশাহীর সংগ্রহে তাতে বড় প্রভাব পড়েনি।
রাজশাহীর হয়ে তানজিদ হাসান তামিম করেন ১০০ রান, কেন উইলিয়ামস ১৫ বলে ২৪ রান যোগ করেন। চট্টগ্রামের বোলারদের মধ্যে শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম দুটি করে উইকেট নেন।
দাপুটে এই জয়ের মাধ্যমে বিপিএলে নিজেদের দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তুলল রাজশাহী, আর ফাইনালে আবারও হতাশায় ডুবল চট্টগ্রাম রয়েলস।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর