ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনের জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মো. আতাউর রহমান সরকার অভিযোগ করেছেন, বিগত ৫৪ বছরের বিভিন্ন সরকারের সময়ে দায়িত্বপ্রাপ্তরা সততার পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছেন। উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ অর্থ আত্মসাৎ, মসজিদ ও মাদ্রাসার নামে টাকা লোপাট এবং সরকারি সম্পদের অপব্যবহার করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে আখাউড়া উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের গাজীর বাজার এলাকায় অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আতাউর রহমান সরকার বলেন, “বারবার পুরোনো দলগুলোকে সুযোগ দিয়ে জনগণ হতাশ হয়েছে। এবার পরিবর্তনের নির্বাচন। একবারের জন্য হলেও জামায়াতে ইসলামীকে সুযোগ দিয়ে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে এলাকার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে প্রতি তিন মাস পরপর জনসভা ও পর্যালোচনা সভার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রতি বছর অন্তত ১০০ জন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীকে বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে, যাতে তারা ব্যারিস্টার, ডক্টরেটধারী ও দক্ষ চিকিৎসক হয়ে দেশে ফিরে জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে পারে।
সিএনজি অটোরিকশা চালকদের কাছ থেকে জোরপূর্বক টাকা আদায়কে ‘জুলুম’ আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী দায়িত্ব পেলে দুই দিনের মধ্যেই এসব অনিয়ম বন্ধ করা হবে।
দক্ষিণ ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর কাজী নজরুল ইসলাম খাদেম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন। এছাড়া বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মো. বোরহান উদ্দিন, উপজেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী ইয়াকুব আলীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি ঈদন মিয়া।
সভায় জামায়াতে ইসলামী ও এর সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বোরহান উদ্দিন খান, উপজেলা ছাত্রশিবির সভাপতি শেখ আসিফ, জেলা ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক সাইফুল আল আরিফসহ স্থানীয় নেতাকর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর