• ঢাকা
  • ঢাকা, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৫ সেকেন্ড পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৫:৪৯ বিকাল

জাপানের নির্বাচনে তাকাইচির রক্ষণশীলদের ভূমিধস জয়ের আভাস

ছবি: সংগৃহীত

জাপানের নিম্নকক্ষ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন রক্ষণশীল দল লিবারাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) বড় ধরনের বিজয়ের পথে রয়েছে বলে জানিয়েছে এক্সিট পোল। রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর জাপানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা এনএইচকের জরিপে দেখা গেছে, ৪৬৫ আসনের সংসদে এলডিপি এককভাবে ২৭৪ থেকে ৩২৮টি আসন পেতে পারে, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় ২৩৩ আসনের অনেক বেশি।

জোটসঙ্গী জাপান ইনোভেশন পার্টিকে সঙ্গে নিয়ে শাসক জোটের মোট আসন সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ৩০২ থেকে ৩৬৬টিতে। এই ফলাফলকে নতুন প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির প্রতি জনগণের আগাম সমর্থন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গত শরতে জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তাকাইচি আকস্মিক নির্বাচনের ঘোষণা দেন। সে সময় তিনি সতর্ক করেছিলেন, জোট সরকার সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হলে তিনি পদত্যাগ করবেন।

প্রচণ্ড শীত ও ভারী তুষারপাতের মধ্যেই এবারের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ৩৫ বছরের মধ্যে প্রথমবার মধ্য-শীতকালে হওয়া এই নির্বাচনে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলক কম ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নির্বাচনী প্রচারে তাকাইচি জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে ১৩৫ বিলিয়ন ডলারের প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেন। পরে তিনি খাদ্যপণ্যে ৮ শতাংশ ভোগকর দুই বছরের জন্য স্থগিত রাখার প্রতিশ্রুতিও দেন, যা সরকারি রাজস্বে বড় ধরনের ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।

তার এই ব্যয়ভিত্তিক অর্থনৈতিক পরিকল্পনা আর্থিক বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, জাপানের সরকারি ঋণ ইতোমধ্যে জিডিপির দ্বিগুণেরও বেশি হওয়ায় তাকাইচির আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

পররাষ্ট্রনীতিতেও তাকাইচি বিতর্কের জন্ম দেন। গত নভেম্বরে তিনি ইঙ্গিত দেন, চীন যদি তাইওয়ানে হামলা চালায়, তাহলে জাপান সামরিকভাবে জড়াতে পারে। এতে বেইজিংয়ের সঙ্গে টোকিওর সম্পর্ক আরও অবনতির দিকে যায়। চীন জাপান ভ্রমণ ও সেখানে পড়াশোনার বিষয়ে সতর্কতা জারি করে, যার ফলে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও দীর্ঘদিনের ‘পান্ডা কূটনীতি’ও স্থবির হয়ে পড়ে।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, চীনের প্রতি কঠোর অবস্থান অনেক ভোটারের কাছেই জনপ্রিয় হয়েছে। সিরাকিউজ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী মার্গারিটা এস্তেভেজ-আবে বলেন, এই নির্বাচনী জয় তাকাইচিকে ২০২৮ সালের আগ পর্যন্ত রাজনৈতিকভাবে স্বস্তি দেবে এবং চাইলে তিনি চীনের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতের সুযোগ পাবেন।

চূড়ান্ত ফলাফল রোববার রাতের দিকে জানা যাবে। যদি তাকাইচির নেতৃত্বাধীন জোট ২৬১ আসনের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে, তবে সংসদের কমিটিগুলোর নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে যাবে। আর ৩১০ আসনের সুপার-মেজরিটি পেলে তারা উচ্চকক্ষের বাধাও অতিক্রম করতে পারবে।

সাজু/নিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]