‘আমি আর কতদিন বাছাম জানি না, কিন্তু খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী দেখে মরতে চাই। খালেদা জিয়ার প্রতি আমার ভালোবাসার কারণে অসুস্থ শরীর নিয়ে নাতির সঙ্গে ভোট দিতে আইছি। জীবনের শেষ সময়ে দলের পক্ষে ভোট দিলাম।’ এই কথা বলছিলেন ৯৫ বছর বয়সি মনোয়ারা বেগম। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ঝাকালিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত সুবেদ আলীর স্ত্রী।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মনোয়ারা বেগম জালালপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, নাতির সঙ্গে একটি অটোরিকশা যোগে তিনি কেন্দ্রে আসেন। কেন্দ্রের নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে সাহায্য করে ভোট কেন্দ্রে পৌঁছে দেন।
পছন্দের প্রার্থীকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে উচ্ছ্বসিত মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘আমার পরিবারের সবাই বিএনপিকে ভালোবাসে। সবাই ধানের শীষে ভোট দেবে।’
মনোয়ারা বেগমের নাতি সুমন বলেন, ‘দাদী গত এক সপ্তাহ ধরে আমাকে বলছিলেন ভোটের দিন তাকে কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য। তিনি ধানের শীষে ভোট দেবেন। অসুস্থ শরীর থাকার কারণে প্রথমে তাকে যেতে মানা করি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার আগ্রহের কাছে নত হয়ে আমরা অটোরিকশা দিয়ে কেন্দ্রে নিয়ে আসি। আমাদের পরিবার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাজনীতির প্রতি আনুগত্যপূর্ণ। দাদিও পছন্দের দল বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন।’
জালালপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা রিজওয়ানুল হক বলেন, ‘ভোটের প্রতি শ্রদ্ধা থেকেই বয়োবৃদ্ধ নারী নাতির সাহায্যে ভোট দিতে এসেছেন। এটি তার ভোটদানের সচেতনতার পরিচয়। তিনি নিজের পছন্দের প্রার্থীকে নিজের ভোট দিয়েছেন।’
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর