জামায়াতে ইসলামী ৩০টি আসনে শপথ স্থগিত রাখার আবেদন করেছে। দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের শনিবার রাজধানীতে এক ব্রিফিংয়ে জানান, এসব আসনে পুনরায় ভোট গণনার জন্য দল ইতিমধ্যে আবেদন করেছে। একই সঙ্গে নবনির্বাচিতদের শপথ স্থগিত রাখার জন্যও আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনের পর সারা দেশে জামায়াতের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হচ্ছে এবং নারীদেরও টার্গেট করা হচ্ছে। এ ছাড়াও, অন্তত ৩০টি আসনে ভোটের সঙ্গে জড়িত এজেন্টদের বের করে দেওয়া, কারচুপি ও অন্যান্য অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জামায়াত বলছে, এসব আসনে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর সঙ্গে বিজয়ী ঘোষণা করা প্রার্থীর ব্যবধান খুবই অল্প। যেখানে ভোটের সর্বোচ্চ ব্যবধান হয়েছে ১০ হাজার মতো। আসনগুলোতে তারা জয়ের বার্তা পাচ্ছিল, যখন ভোগ গণনা চলছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। ভোট পুনরায় গণনা হলে তারা জয় পাবে বলে আশা ব্যক্ত করেছে।
আসনগুলো হচ্ছে, পঞ্চগড়-১, ঠাকুরগাঁও-২, দিনাজপুর-৩, দিনাজপুর-৫, লালমনিরহাট-১, লালমনিরহাট- ২, গাইবান্ধা-৪, বগুড়া-৩, সিরাজগঞ্জ-১, যশোর-৩, খুলনা-৩, খুলনা-৫, বরগুনা-১, বরগুনা-২, ঝালকাঠি-১, পিরোজপুর-২, ময়মনসিংহ-১ (রিকশা), ময়মনসিংহ-৪, ময়মনসিংহ-১০, কিশোরগঞ্জ- ৩, ঢাকা-৭, ঢাকা-৮, ঢাকা-১০, ঢাকা-১৩ (রিকশা), ঢাকা-১৭, গোপালগঞ্জ-২, ব্রাক্ষণবাড়িয়া-৫, চাঁদপুর-৪, চট্টগ্রাম-১৪ ও কক্সবাজার-৪।
গত বৃহস্পতিবার ২৯৯টি আসনে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয় পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। শুক্রবার রাতে ২৯৭টি আসনের ফলাফল প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী চট্টগ্রামের দুটি আসনের ফলাফল পরে ঘোষণা করা হবে। এছাড়া জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনও স্থগিত রয়েছে।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর