চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং মডেল থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা গাড়ি চোর চক্রের এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় চুরি হওয়া ৪০ লাখ টাকা মূল্যের একটি বিলাসবহুল ‘নিশান এক্সট্রেইল’ গাড়ি উদ্ধার করা হয়।
শনিবার সকালে ডবলমুরিং মডেল থানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পশ্চিম বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আলমগীর হোসেন এসব তথ্য জানান।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম মো. সাইমন (৩৬)। তিনি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার বাবুনগর এলাকার মৃত আব্দুর রবের ছেলে। সাইমন নগরীর ডবলমুরিং থানার বেপারীপাড়া এলাকার ফয়েজ আহমেদ লেইনের আব্দুল হক সওদাগরের বাড়িতে ভাড়ায় বসবাস করতেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আলমগীর হোসেন জানান, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টার দিকে এক ভুক্তভোগী তার ব্যবহৃত নিশান এক্সট্রেইল মডেলের গাড়িটি ডবলমুরিং থানার আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকার ২৩১ নম্বর বাড়ি ‘দি বিটিআই মেট্রোপোল’-এর নিচতলায় পার্কিং করে বাসায় যান। পরদিন সকাল সাড়ে ১০টায় ভবনের দারোয়ান তাকে জানান যে, পার্কিংয়ে থাকা ৪০ লাখ টাকা মূল্যের গাড়িটি চুরি হয়ে গেছে। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে সন্ধান না পেয়ে ভুক্তভোগী ডবলমুরিং মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা রুজু হওয়ার পরপরই ডবলমুরিং মডেল থানার একটি আভিযানিক দল তদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরী এবং জেলার বিভিন্ন স্থানে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়। একপর্যায়ে ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত মো. সাইমনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।পরে গ্রেপ্তার সাইমনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে পুলিশ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থানার ডিসি পার্ক এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকেই চুরি হওয়া নিশান এক্সট্রেইল গাড়িটি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।
পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী, গ্রেপ্তার মো. সাইমন একজন পেশাদার চোর। তার বিরুদ্ধে এর আগেও ২০২৩ সালের ৬ ডিসেম্বর সিএমপির ডবলমুরিং মডেল থানায় চুরির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যা বর্তমানে বিচারাধীন।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার আসামিকে ডবলমুরিং মডেল থানার সদ্য রুজু হওয়া মামলায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর