ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সম্প্রতি টেলিভিশনে দেয়া ভাষণে জানিয়েছেন, দেশের প্রতিরক্ষা ও সামরিক প্রস্তুতি সর্বোচ্চ নেতার পথ অনুসরণ করে অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, “আমরা আমাদের সর্বোচ্চ নেতার পথ অনুসরণ অব্যাহত রাখব। ইসলামিক রিপাবলিক ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কঠোরভাবে হামলা চালানো অব্যাহত রাখবে এবং শত্রুদের সামরিক ঘাঁটিগুলো ধ্বংস করতে থাকবে। বিপ্লবের নেতার শাহাদাত হলো বছরের পর বছর চলা ত্যাগের এক পরিণতি।”
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রেসিডেন্টের এই ভাষণ ইরানের প্রতিরক্ষা নীতি এবং প্রতিশোধমূলক অবস্থানকে আন্তর্জাতিকভাবে আরও স্পষ্ট করেছে। এতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে ইরান কৌশলগত হামলা ও সামরিক প্রস্তুতি অব্যাহত রাখবে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, দেশটি আত্মরক্ষায় কোনো সীমাবদ্ধতা মানবে না। তিনি বলেছেন, তেহরান একটি সংstitutional প্রক্রিয়া শুরু করেছে এবং ট্রানজিশনাল কাউন্সিল ইতোমধ্যেই গঠিত হয়েছে, যা দেশের কার্যক্রম পরিচালনায় কাজ করবে। আরাঘচি বলেছেন, “আমরা আত্মরক্ষায় কোনো সীমাবদ্ধতা বা সীমা নেই।” বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ইরানের কৌশলগত অবস্থানকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
আরাঘচি আরও জানিয়েছেন, সর্বোচ্চ নেতা Ayatollah Ali Khamenei-এর হত্যা “একটি অত্যন্ত গুরুতর ও অভূতপূর্ব ঘটনা এবং আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।” তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ড সংঘাতকে আরও জটিল ও বিপজ্জনক করে তুলবে এবং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হবে। আরাঘচি পুনর্ব্যক্ত করেছেন, ইরান “নিজেকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে কোনো সীমাবদ্ধতা মানবে না।”
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আরাঘচির এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইরানের প্রতিরক্ষা নীতি ও কৌশলগত প্রতিক্রিয়ার সীমাহীন সক্ষমতা স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করছে। ইরান তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনকারী যে কোনো সংস্থা বা দেশের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করবে।
সূত্র: আল জাজিরা
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর