• ঢাকা
  • ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৬ সেকেন্ড পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ০৫ মার্চ, ২০২৬, ১১:১২ রাত

ইবির শিক্ষিকা খুন: ময়নাতদন্তে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়–এ উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে নিহত সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার শরীরে ২০টিরও বেশি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকেরা।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল–এর মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে চিকিৎসকেরা এ তথ্য জানান। পরে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হোসেন ইমাম–এর নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। এ সময় সহকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিকিৎসক ডা. রুমন রহমান ও ডা. সুমাইয়া।

আরএমও হোসেন ইমাম জানান, নিহত শিক্ষিকার গলার নিচে গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা মৃত্যুর প্রধান কারণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া বুক, পেট, হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে অন্তত ২০টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এসব দেখে ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনার সময় ধস্তাধস্তি হয়েছিল। নিহতের হাতে প্রতিরোধের চিহ্নও রয়েছে, যা থেকে বোঝা যায় তিনি আত্মরক্ষার চেষ্টা করেছিলেন। আঘাতের ধরন দেখে এটি ঘাতকের তীব্র ক্ষোভ বা আক্রোশের বহিঃপ্রকাশ হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নিহত রুনার স্বজনেরা জানান, বুধবার রাতে তার স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন।

এজাহারে অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ফজলুর রহমান, সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক শ্যামসুন্দর সরকার এবং সহকারী অধ্যাপক মো. হাবিবুর রহমান–কে।

নিহতের স্বামী ইমতিয়াজ সুলতানের ভাই শফিকুল ইসলাম বলেন, এই হত্যাকাণ্ড তাদের পুরো পরিবারকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তার দাবি, বিভাগের বিভিন্ন আর্থিক বিষয় নিয়ে ফজলুর রহমানের সঙ্গে রুনার দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব ছিল এবং বিভিন্ন সময়ে তিনি চাপ প্রয়োগ করতেন। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তাও জানতেন এবং এ নিয়ে বৈঠকও হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন। তার মতে, এত বড় ঘটনা পরিকল্পনা ছাড়া সম্ভব নয় এবং এতে আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারেন—এ কারণেই মামলায় একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা–র ওসি মো. মাসুদ রানা জানান, নিহত আসমা সাদিয়া রুনার স্বামী চারজনকে আসামি করে একটি অভিযোগ জমা দিয়েছেন। মামলাটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে পুলিশ ও প্রশাসনের একাধিক ইউনিট কাজ করছে।

মর্গের সামনে স্বজনেরা জানান, রুনার তিনটি মেয়ে ও একটি ছেলে রয়েছে। তাদের মধ্যে দুটি সন্তান এখনও বুঝতে পারেনি যে তাদের মা আর বেঁচে নেই। সবচেয়ে ছোট সন্তানের বয়স মাত্র দেড় বছর।

উল্লেখ্য, বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল প্রায় ৪টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা নিহত হন। একই ঘটনায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

কুশল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ info@bd24live.com
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ office.bd24live@gmail.com