টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল গ্রামের সাজেদুল (৫০) গত ৭ই মার্চ দুবাইয়ের আজমান শহরের একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। নানা জটিলতার কারণে এখনো তাঁর লাশ দেশে আনা সম্ভব হয়নি। পরিবারের আশা ছিল, ঈদের আগে অন্তত তাঁর লাশ দেশে ফিরবে।
জানা গেছে, প্রবাসী সাজেদুল উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে। তিনি দীর্ঘ সময় ধরেই বিভিন্ন দেশে প্রবাসী হিসেবে কাজ করছিলেন। সর্বশেষ প্রায় এক বছর পূর্বে তিনি দুবাই যান।
নিহতের ভাই মাসুদ পারভেজ জানান, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ইরান যুদ্ধের কারণে ফ্লাইট বন্ধ থাকায় তাঁর ভাই দেশে আসতে পারছিলেন না। অসুস্থ বোধ করায় ভিসার মেয়াদ না বাড়িয়েই দেশে ফেরত আসার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। এ নিয়ে সর্বশেষ গত ৩রা মার্চ তাঁদের কথা হয়। কিন্তু পরদিন থেকে তাঁকে মোবাইলে না পেয়ে গত ৯ই মার্চ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন মাসুদ, যা দুবাইতে কর্মরত অন্য আত্মীয়দের দৃষ্টিগোচর হয়। তাঁদের মাধ্যমে গত ১২ই মার্চ রাতে তিনি জানতে পারেন যে তাঁর ভাই গত ৭ই মার্চ দুবাইয়ের আজমান এলাকার শেখ খলিফা হাসপাতালে মারা গেছেন।
মাসুদ পারভেজ অভিযোগ করে বলেন, "ভাইয়ের লাশ দেশে আনার জন্য আমি টাঙ্গাইল প্রবাসী কল্যাণ সেন্টারে যোগাযোগ করে অনেক কষ্টে আবেদন জমা দিয়েছি। সেখানকার লোকজন একটু আন্তরিকভাবে চেষ্টা করলে হয়তো আমার ভাইয়ের লাশ ঈদের আগেই দেশে আসতো। ওই অফিসের লোক আমাকে তাদের মোবাইল নাম্বারটি পর্যন্তও দেয়নি।"
টাঙ্গাইল প্রবাসী সেন্টারের সহকারী পরিচালক ফারুক বলেন, "আমি তাঁর আবেদন গ্রহণ করেছি। কিন্তু ঈদের বন্ধের কারণে এখন কিছু করার সুযোগ নেই। তাঁকে ঈদের পর আসতে বলেছি।"
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর