ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামের রফিকুলের ভিটায় মাদুর টানিয়ে স্থায়ী জুয়ার আসর বসায় পুলিশের সোর্স বলে দাপিয়ে চলা হাফিজুল ইসলাম। পাশের বাড়ির শাহাবুদ্দিন জুয়া খেলা বন্ধের জন্য এক মাসে ফুলবাড়িয়া থানায় এক এস আইয়ের নিকট লিখিত অভিযোগ দেন।
লিখিত অভিযোগ দেয়ার পরও জুয়ার আসর বন্ধ না হওয়ায় নিজের মোবাইল দিয়ে জুয়ার আসরটির ভিডিও ধারন করেন। ভিডিও ধারন করার সময় হাফিজুল ও তার সহযোগীরা শাহাবুদ্দিন মারপিট করেন। পরে তিনি জুয়ার আসরের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে ছড়িয়ে দেন। যা মুহুর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।
বিকেলে থানা পুলিশের ওই এস আই জুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী শাহাবুদ্দিন ও জুয়ার বিডার হাফিজুল ইসলামকে বাড়ি থেকে নিয়ে এসে বাদী ও আসামীকে এক রুমে আটক করে রাখে। এ খবর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় নানান সমালোচনা।
এ বিষয়ে শাহাবুদ্দিন জানান, এক মাস আগে জুয়ার আসরটি বন্ধ করার জন্য থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। জুয়ার আসরের ভিডিও ভাইরালের পর পুলিশ আমাকেসহ জুয়ার বিডারকে আটক করেছে। আমাকে জুয়াড়ির সাথে পুলিশ জুয়া আইনে চালাল দিবে। জুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়ার পর জেল হাজতে যেতে হয় এমনটা হলে কেউ কি জুয়ার বিরুদ্ধে কথা বলবে বলে প্রশ্ন করেন শাহাবুদ্দিন।
ফুলবাড়িয়া থানার ওসি সাইফুল্লাহ সাইফ জানাান, ভবানপুর থেকে ২ জনসহ বিভিন্ন জুয়ার আসর থেকে মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে আরও ১০ জুয়ারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) ১২ জুয়ারীকে আলাদতে সোপর্দ করা হয়েছে।
জুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া শাহাবুদ্দিনের বিষয়ে ওসি জানান, সেও জুয়ার আসরে আসা যাওয়া করতো।
মাসুম/সাএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর