• ঢাকা
  • ঢাকা, রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৩ মিনিট পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ০৭ মে, ২০২৬, ১২:১৬ দুপুর

প্রকাশ্যে এল এপস্টেইনের ‘কথিত চিরকুট’, যা লেখা আছে এতে

ছবি: সংগৃহীত

যৌন অপরাধে অভিযুক্ত মার্কিন ধনকুবের জেফরি এপস্টেইনকে নিয়ে লেখা একটি কথিত ‘সুইসাইড নোট’ বা চিরকুট সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে জনসমক্ষে এসেছে। কয়েক বছর ধরে সিলগালা থাকা এই নথিটি প্রকাশ করেন হোয়াইট প্লেইনস ফেডারেল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক কেনেথ এম কারাস। এটি এপস্টেইনের সাবেক সহবন্দী নিকোলাস টারটাগ্লিওনির বিরুদ্ধে চলা একটি ফৌজদারি মামলার নথির অংশ ছিল।

হাতে লেখা ওই চিরকুটে এপস্টেইন লিখেছেন বলে দাবি করা হয়েছে যে, তার বিরুদ্ধে কয়েক মাস ধরে তদন্ত চললেও কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সেখানে আরও উল্লেখ ছিল, পুরোনো অভিযোগ সামনে এনে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আরেক অংশে লেখা ছিল, নিজের ইচ্ছামতো মৃত্যুর সময় বেছে নেওয়াকে তিনি “বিশেষ প্রাপ্তি” হিসেবে দেখছেন। অন্য একটি অংশে হতাশা ও মানসিক চাপের ইঙ্গিত পাওয়া যায়, যেখানে লেখা ছিল—“তোমরা আমার কাছে কী চাও—আমি কান্নায় ভেঙে পড়ি।” শেষ দিকে বড় অক্ষরে “নো ফান” এবং “নট ওর্থ ইট” লেখা ছিল।

টারটাগ্লিওনির দাবি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের জুলাই মাসে এপস্টেইনকে কারাগারের সেলে অচেতন অবস্থায় পাওয়ার পর তিনি এই চিরকুটটি পান। পরে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের মেট্রোপলিটন কারেকশনাল সেন্টারে এপস্টেইনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তখন তার বয়স ছিল ৬৬ বছর।

নিউইয়র্ক টাইমসের আবেদনের পর আদালত নথিটি প্রকাশ করে। টারটাগ্লিওনি দাবি করেছেন, একটি গ্রাফিক নভেলের ভেতর থেকে তিনি চিরকুটটি খুঁজে পান।

যদিও চিরকুটটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি, প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এতে ব্যবহৃত কিছু শব্দ এপস্টেইনের আগের ইমেইলেও পাওয়া গিয়েছিল। এছাড়া মৃত্যুর সময় তার কক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া আরেকটি নোটেও “নো ফান” শব্দটির উল্লেখ ছিল।

নিউইয়র্ক সিটির মেডিকেল এক্সামিনার তার মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে ঘোষণা করলেও ঘটনাটি ঘিরে কারাগারের নিরাপত্তা ও পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক রয়ে গেছে।

টারটাগ্লিওনি একজন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা, বর্তমানে তিনি একটি চার খুনের হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে চারটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন।

জুলাই মাসের সেই ঘটনার পর যখন কারা কর্মকর্তারা এপস্টেইনের গলায় লাল দাগ নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন, তখন তিনি প্রথমে দাবি করেছিলেন টারটাগ্লিওনি তার ওপর হামলা করেছেন এবং তিনি নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা করেননি।

টারটাগ্লিওনি শুরু থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন। পরে এপস্টেইন কারা কর্মকর্তাদের বলেছিলেন, তার সেলমেটের সাথে তার ‘কোনো সমস্যা ছিল না’।

টারটাগ্লিওনি দাবি করেন, এপস্টেইন যদি তার বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ অব্যাহত রাখতেন, তাহলে এই চিরকুট তার নির্দোষ প্রমাণে সহায়ক হতে পারত। পরে তার আইনজীবীরা ২০২১ সালের মে মাসে মূল চিরকুটটি আদালতে জমা দেন।

ম্যানহাটনের মার্কিন অ্যাটর্নি অফিস জানিয়েছে, এপস্টেইনের মৃত্যু ঘিরে জনস্বার্থ থাকায় চিরকুটটি প্রকাশে তাদের কোনো আপত্তি ছিল না।

কুশল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:


BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]