• ঢাকা
  • ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৪ মিনিট পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ২৭ মে, ২০২৬, ০৮:৩১ রাত

বড় বেকায়দায় ট্রাম্প, ছাড় দিচ্ছে না ইরান

ফাইল ফটো

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুরু করা যুদ্ধ এখন তার জন্য বড় রাজনৈতিক ও কৌশলগত চ্যালেঞ্জে পরিণত হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। নতুন জনমত জরিপগুলো বলছে, মার্কিন জনগণের বড় অংশ এই যুদ্ধ নিয়ে ক্লান্ত এবং তারা বিশ্বাস করছে না যে এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র উল্লেখযোগ্য কোনো সাফল্য অর্জন করতে পারবে।

সাম্প্রতিক কয়েকটি জরিপে দেখা গেছে, যুদ্ধ শুরুর সময় থেকেই অধিকাংশ মার্কিনি এর বিরোধিতা করে আসছেন। এখন অনেকেই মনে করছেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না এবং ইরানের কাছ থেকে এমন কোনো ছাড় আদায় সম্ভব নয়, যা যুদ্ধের মূল্যকে যৌক্তিক করে তুলবে। খবর সিএনএনের।

ফক্স নিউজের এক জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩৯ শতাংশ ভোটার মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ‘লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত’ চালিয়ে যাওয়া উচিত। বিপরীতে ৬১ শতাংশ চান নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে যুদ্ধের সমাপ্তি।

একইভাবে নিউইয়র্ক টাইমস-সিয়েনা কলেজের জরিপে ৫২ শতাংশ ভোটার বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো সমঝোতা না হলেও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ বন্ধ করা উচিত। মাত্র ৩৭ শতাংশ চান আলোচনা ব্যর্থ হলে আবার বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু হোক।

জরিপে আরও দেখা গেছে, অনেক আমেরিকানই মনে করেন না যে যুদ্ধের মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি ধ্বংস করা সম্ভব হবে। মাত্র ২২ শতাংশ বিশ্বাস করেন, যুদ্ধ ‘খুব সফলভাবে’ ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংস করতে পারবে।

ওয়াশিংটন পোস্ট-এবিসি নিউজের এক জরিপে ৬৫ শতাংশ মানুষ বলেছেন, যুদ্ধ শেষে কোনো চুক্তি হলেও সেটি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখতে পারবে—এ ব্যাপারে তারা আস্থাশীল নন।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প শুরুতেই দুটি বড় কৌশলগত ভুল করেছেন। প্রথমত, যুদ্ধের সুস্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত সমাপ্তি পরিকল্পনা তিনি জনগণের সামনে তুলে ধরতে পারেননি। দ্বিতীয়ত, তিনি যুদ্ধের লক্ষ্য এতটাই বড় করে উপস্থাপন করেছিলেন যে এখন তা অর্জন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

যুদ্ধের শুরুতে ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি কেবল ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ মেনে নেবেন। পরে তিনি দাবি করেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করা এবং হামাস-হিজবুল্লাহর মতো গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তেহরানের সমর্থন বন্ধ করাই তার প্রধান লক্ষ্য।

তবে চলমান আলোচনার খসড়া শর্ত সামনে আসার পর অনেক রিপাবলিকান নেতাই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের আশঙ্কা, সম্ভাব্য সমঝোতা ইরানকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে।

বিশেষ করে ট্রাম্পপন্থি কট্টর রিপাবলিকানদের একটি অংশ মনে করছে, ইরান যদি কঠোর অবস্থান ধরে রাখে, তাহলে ট্রাম্পের সামনে এমন কোনো সমাধান থাকবে না যা একই সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করবে এবং তাকে রাজনৈতিকভাবে বিজয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবে।

পিউ রিসার্চ সেন্টারের জরিপে বলা হয়েছে, অধিকাংশ আমেরিকান মনে করেন না যে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে নিজেদের লক্ষ্য পূরণ করতে পারবে। সিএনএনের সাম্প্রতিক জরিপে মাত্র ২০ শতাংশ মানুষ বলেছেন, ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের ওপর তাদের ‘অনেক আস্থা’ রয়েছে। বিপরীতে ৫৯ শতাংশ বলেছেন, তাদের খুব কম বা একেবারেই আস্থা নেই।

বিশ্লেষকদের মতে, এখন ট্রাম্পের সামনে দুটি পথ খোলা রয়েছে—একটি হলো আপসের মাধ্যমে দ্রুত যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসা, অন্যটি যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত করা। তবে দ্বিতীয় পথ বেছে নিলে তা রিপাবলিকান পার্টির জন্য আরও বড় রাজনৈতিক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

সাজু/নিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]