মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার কচুরগুল সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভোরে এ ঘটনা ঘটে। পুশইন করা ব্যক্তিদের মধ্যে দুইজন পুরুষ, সাতজন নারী ও একটি শিশু রয়েছে। পরে রাতে তারা বিজিবির প্রবল বাঁধার মুখে আবারো ভারত ফিরে গিয়েছে।
একটি সূত্র জানায়, ভারতীয় বিএসএফ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবৈধভাবে স্থানীয় দালাল, নির্দিষ্ট নেটওয়ার্ক এবং গুপ্তচরদের ব্যবহার করে নতুন কৌশল অবলম্বন করে "পুশইন" চেষ্টা অব্যাহত করে যাচ্ছে। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অবৈধ ‘পুশইন’ করার চেষ্টার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা ও জুড়ীর সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে সীমান্তজুড়ে নজরদারি ও টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে।
বিজিবি জানিয়েছে স্থানীয় কিছু মানুষ পুশইনে বিএসএফকে সহযোগিতা করছে এমন গোয়েন্দা তথ্য তাদের কাছে রয়েছে। তাদের ব্যাপারে বিজিবি কঠোর অবস্থানে আছে বলে জানা গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল আতাউর রহমান বলেন, বিএসএফ যাদেরকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশইন করেছিল তারা বিজিবির প্রবল বাঁধার মুখে আবারো ভারত ফিরে গিয়েছে। তিনি আরও বলেন, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ বা পুশইনের বিষয়ে বিজিবি 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করে। দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে।
রোহান/সা.এ.
সর্বশেষ খবর
জাতীয় এর সর্বশেষ খবর