• ঢাকা
  • ঢাকা, শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৩০ সেকেন্ড পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ১১ জুলাই, ২০২৬, ০৩:৫৯ দুপুর

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির ইবিটি কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্মশালা

ছবি: সংগৃহীত

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে শুক্রবার (১০ জুলাই) অ্যাসেট (Accelerating and Strengthening Skills for Economic Transformation) প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) পরিচালিত এন্টারপ্রাইজ-ভিত্তিক ট্রেনিং (ইবিটি) কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব মো. দাউদ মিয়া, এনডিসি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রকৌশলী আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলী, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) জনাব শামসুর রহমান খান এবং অ্যাসেট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মীর জাহিদ হাসান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির মহাসচিব জনাব মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন অ্যাসেট প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী রবীন্দ্রনাথ মাহাত। বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির কোষাধ্যক্ষ জনাব আবুল হাসান প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে ইবিটি কার্যক্রমের বাস্তবায়ন অগ্রগতি, অর্জিত সাফল্য, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।

কর্মশালায় বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, অ্যাসেট প্রকল্প, ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্কিলস ট্রেনিং প্রোভাইডার (আইএসটিপি), স্কিলস ট্রেনিং প্রোভাইডার (এসটিপি) এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালায় জানানো হয়, এন্টারপ্রাইজ-ভিত্তিক ট্রেনিং (ইবিটি) অ্যাসেট প্রকল্পের একটি কর্মসংস্থানমুখী প্রশিক্ষণ পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণার্থীদের কেবল শ্রেণিকক্ষভিত্তিক পাঠদানে সীমাবদ্ধ না রেখে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বাস্তব কর্মপরিবেশে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের সুযোগ প্রদান করা হয়। এর ফলে তারা আধুনিক যন্ত্রপাতি, কর্মপ্রবাহ, কর্মক্ষেত্রের শৃঙ্খলা, গ্রাহকসেবা এবং বাজারের বাস্তব চাহিদা সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জন করে, যা প্রশিক্ষণ-পরবর্তী কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

বক্তারা বলেন, দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের জন্য প্রস্তুত করতে প্রশিক্ষণকে আরও বাস্তবভিত্তিক, শিল্পসংযুক্ত এবং ফলাফলমুখী করতে হবে। প্রশিক্ষণার্থীর দক্ষতা অর্জন, মূল্যায়নে সাফল্য এবং প্রশিক্ষণ-পরবর্তী কর্মসংস্থানই হবে কার্যক্রমের প্রকৃত সাফল্যের মানদণ্ড।

কর্মশালায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির আওতায় বর্তমানে ৬২টি প্রতিষ্ঠান প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। মোট ২৮৩টি অনুমোদিত প্রশিক্ষণ ব্যাচের মধ্যে ১০৭টি এডিটিপি এবং ১৭৬টি টিএসটিপি ব্যাচ রয়েছে। চতুর্থ পর্যায়ে অনুমোদিত ২৮৩টি ব্যাচের মধ্যে ২৭৩টি সক্রিয় এবং ১০টি নিষ্ক্রিয় বা বাতিল হয়েছে।

এ পর্যন্ত চতুর্থ পর্যায়ে ৬ হাজার ৫৫২ জন প্রশিক্ষণার্থী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪ হাজার ৭৯২ জন পুরুষ, ১ হাজার ৭৬০ জন নারী, ২৩ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং ২০ জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রশিক্ষণার্থী রয়েছেন। বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির অধীনে মোট প্রশিক্ষণার্থী লক্ষ্যমাত্রা ৬ হাজার ৭৯২ জন।

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির অধীনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল অর্থনীতি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন চাহিদাসম্পন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে আইটি সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস, ডিজিটাল মার্কেটিং ফর ফ্রিল্যান্সিং, গ্রাফিক ডিজাইন ফর ফ্রিল্যান্সিং, ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট উইথ পাইথন, ডাটা সায়েন্স, অ্যানালিটিক্স অ্যান্ড বিগ ডাটা, এআই ইন ইমারসিভ টেকনোলজি, জাপানিজ ল্যাঙ্গুয়েজ, প্রফেশনাল কাস্টমার সার্ভিস, প্রফেশনাল ব্যাক অফিস সার্ভিস এবং রিটেইল সেলস অপারেশনস।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব মো. দাউদ মিয়া, এনডিসি বলেন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা কর্মসংস্থান সৃষ্টির একটি শক্তিশালী মাধ্যম। তিনি প্রশিক্ষণের গুণগত মান, জবাবদিহিতা, নিয়মিত উপস্থিতি, বাস্তব দক্ষতা অর্জন এবং কর্মসংস্থান ফলাফলের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, প্রশিক্ষণার্থীরা যেন প্রশিক্ষণ শেষে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কর্মবাজারে প্রবেশ করতে পারে, সে লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আরও ফলাফলভিত্তিক ও শিল্পবান্ধব করতে হবে।

বিশেষ অতিথিবৃন্দ প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন, তথ্যের যথার্থতা, আর্থিক শৃঙ্খলা, সময়মতো অগ্রগতি প্রতিবেদন, মূল্যায়ন প্রস্তুতি এবং কর্মসংস্থানের সঙ্গে কার্যকর সংযোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা প্রশিক্ষণার্থী সম্পর্কিত তথ্য, উপস্থিতি, মূল্যায়ন এবং কর্মসংস্থানের অগ্রগতি নিয়মিত হালনাগাদের আহ্বান জানান।

বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে প্রশিক্ষণার্থীদের কার্যকর সংযোগ স্থাপন করা গেলে শিক্ষানবিশ, প্রাথমিক পর্যায়ের চাকরি, বাস্তব কর্মঅভিজ্ঞতা, ফ্রিল্যান্সিং এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী আইএসটিপি ও এসটিপি প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন, প্রশিক্ষণের নিয়মিততা, যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষণ উপকরণের প্রস্তুতি, তথ্য হালনাগাদ, মূল্যায়ন প্রস্তুতি এবং কর্মসংস্থান সংযোগ আরও জোরদারের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

আয়োজকরা জানান, অ্যাসেট প্রকল্প, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি যৌথভাবে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আরও মানসম্মত, ফলাফলভিত্তিক এবং ভবিষ্যৎ কর্মবাজারমুখী করে তুলতে কাজ করে যাবে। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি কার্যকর ও টেকসই মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

কুশল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:


BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]